রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

‘যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধেই’ তালেবানের সাথে শান্তি আলোচনায় পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল কাতার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধেই কাতার তালেবানের সাথে শান্তি আলোচনায় পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল বলে জানয়িছেন, কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুতলাক আল কাহতানি।

কাতারের সন্ত্রাসবাদবিরোধী বিশেষ দূত ও কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাহতানি দাবি করেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধেই’ তালেবানের পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল তাঁর দেশ। কাতারের মালিকানাধীন মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেন মন্ত্রী।

স্থানীয় সময় গতকাল রোববার দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেকোনো ‘শান্তি আলোচনায় উন্মুক্ত নীতি’র আওতায় তালেবানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার আয়োজনসহ নানাভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে কাতার। আর এটা করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে।

কাতার সংকটের নেপথ্য কারণ আল জাজিরায় রাশিয়ান হ্যাকারদের হামলা!

মুতলাক আরো দাবি করেন, কেবল শান্তির জন্যই যুক্তরাষ্ট্র, তালেবান ও আফগানিস্তানের সরকারের আলোচনা সহজতর করতে কাজ করেছে কাতার।

এদিকে, কাতারের সন্ত্রাসবাদবিরোধী বিশেষ দূতের এই সাক্ষাৎকারের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

২০১৩ সালে তালেবান কাতারে রাজনৈতিক কার্যালয় খোলে। এর পর থেকে ওই কার্যালয়ের মাধ্যমেই বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ করে আসছিল তালেবান।

এমন এক সময় মুতলাক এই মন্তব্য করলেন, যখন ‘অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি’র অভিযোগ এনে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে সৌদি আরব, মিসর, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি দেশ। কাতার তালেবান, মুসলিম ব্রাদারহুডসহ সন্ত্রাসী দলগুলোকে সমর্থন দিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র আরব দেশগুলোর সম্পর্কচ্ছেদের পর পরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের টুইটারে লেখেন, কাতার ‘ঐতিহাসিকভাবেই’ ‘উচ্চমাত্রার সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও সংগঠনকে’ পৃষ্ঠপোষকতা করছে। যদিও এসবের কোনো প্রমাণ হাজির করা হয়নি।

মসজিদুল হারামে কাতারের মুসুল্লিদের বাধা প্রদানের অভিযোগ

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ