রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

দেশে নতুন মোবাইল অপারেটর আসতে পারে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আগামী স্পেকট্রাম (তরঙ্গ) নিলামের সময় নতুন একটি মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলাদেশে নিয়ে আসতে চেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

জানা গেছে, দেশের দুটি মোবাইল ফোন অপারেটর একীভূতকরণ এবং অন্য একটি মোবাইল অপারেটর অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে চালু আছে মাত্র চারটি।

গত বছরেই রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড একীভূত হয়েছে। এছাড়া দেশের সবচেয়ে পুরোনো মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল গত আট মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। দেশে ৬টি মোবাইল ফোন অপারেটর ব্যবসা পরিচালনা করলেও গত বছর থেকে এ সংখ্যা এখন চারে নেমে এসেছে।

বিটিআরসির তথ্যমতে, এখন গ্রামীণফোন, রবি এবং বাংলালিংকের মোট মার্কেট শেয়ার ৯৭.৩ শতাংশ। আর অবশিষ্ট ২.৭ শতাংশ মার্কেট শেয়ার রয়েছে সরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের। দেশে সর্বশেষ ২০০৫ সালে এয়ারটেলকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলছেন, অন্তত একটি নতুন মোবাইল ফোন অপারেটরকে আগামী স্পেকট্রাম নিলামে অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছি। তিনি বলেন, আমরা নতুন একটি মোবাইল ফোন অপারেটরের জন্য অপেক্ষা করছি।

তিনি জানান, পরবর্তী স্পেকট্রাম নিলাম অনুষ্ঠিত হবে আগামী তিন মাসের মধ্যেই। এ সময়ের মধ্যেই নতুন অপারেটর আসতে পারে।

তবে টেলিকম বিশেষজ্ঞ আবু সাঈদ খান বলছেন, বাংলাদেশে নতুন মোবাইল ফোন অপারেটরকে বিনিয়োগ করানোর বিষয়টি সহজ হবে না। এ খাতের ভবিষ্যৎ-বাণী করা সহজ নয়। তবে এজন্য রেগুলেটরকে অবশ্যই নতুন বিনিয়োগে আকর্ষণ করানোর জন্য কাজ করতে হবে। নতুন অপারেটর আসার ক্ষেত্রে রেগুলেটর যদি কোনো ইনসেন্টিভ দেয় তাহলে হয়তো এ পথ সুগম হবে।

চার ফোন কোম্পানির ২০৪৮ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ মিলেছে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ