রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

রাজধানীর রেস্টুরেন্টগুলোতে অবৈধ জুয়ার আসর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাজধানীর নামিদামি রেস্টুরেন্ট ও ক্লাবভিত্তিক রেস্টুরেন্টগুলোতে চলছে পশ্চিমা ধাঁচের অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা। বিদেশ থেকে প্রশিক্ষিত জুয়াড়ি এনে তাদের দিয়ে এসব ক্লাবে প্রতি রাতে বসছে জুয়ার আসর।চলছে কোটি কোটি টাকার কারবার। পাশপাশি দিন দিন বেড়েই চলছে এ ব্যবসায়ের পরিসর। এ সংক্রান্ত বেশকিছু অভিযোগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছেও রয়েছে।

রাজধানীর যেসব ক্লাব ও রেস্টুরেন্টের বিরুদ্ধে ক্যাসিনো ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে, তার মধ্যে প্রথমেই আছে মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় অবস্থিত ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব। অনেক দিন ধরেই ক্লাবটিতে অনানুষ্ঠানিক এ ব্যবসা চলছে বলে অভিযোগ পেয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই অভিযোগ রয়েছে গুলশান লিংক রোডের ফু-ওয়াং ক্লাব, ধানমন্ডির ধানমন্ডি ক্লাব, উত্তরা ক্লাব, নিউমার্কেট এলাকার এজাজ ক্লাব, কলাবাগান ক্লাব, পল্টনের জামাল টাওয়ারের ১৪ তলাসহ বেশ কয়েকটি নামিদামি রেস্টুরেন্টের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, তবে এসব ক্যাসিনোগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় গুলশান লিংক রোডের ফু-ওয়াং ক্লাব। অভিজাতপাড়ার এ ক্লাবে সারা রাতই চলে জুয়ার আসর। দুই জুয়াড়ি ফু-ওয়াং ক্লাবের ক্যাসিনোটি পরিচালনা করছেন।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৫ সালে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসার অভিযোগে ফু-ওয়াং ক্লাবে অভিযান চালান র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে অনুমোদনহীন বিদেশী মদ ও বিয়ার বিক্রির অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করা হলেও ক্যাসিনোর বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে অবস্থিত বিভিন্ন ক্লাব ও রেস্টুরেন্টে ক্যাসিনো ব্যবসার অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে। আর ওই নির্দেশনার সঙ্গে অভিযোগের একটি কপিও সংযুক্ত করা হয়েছে। নির্দেশনা হাতে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। নির্দেশনা অনুযায়ী এরই মধ্যে কাজও শুরু করেছে তারা।

এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেলী ফেরদৌস জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা কাজ শুরু করছেন তারা। বেশ কয়েকটি ক্যাসিনোর অস্তিত্বও পাওয়া গেছে। এছাড়া বেশির ভাগ ক্লাবেই বসছে জুয়ার আসর। সব তথ্য যাচাই শেষে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সূত্র: বণিক বার্তা


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ