রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

ইস্তাম্বুলে শেষ হলো এরদোগান বিরোধী লং মার্চ।

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের বিরুদ্ধে ‘জাস্টিস’ বা ‘ন্যায়বিচার’ নামে ৪৮০ কিলোমিটার-ব্যাপী লং মার্চটি রবিবার দেশটির বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুলে গিয়ে শেষ হয়েছে।

এদিন হাজার হাজার মানুষ এরদোগানের বিরুদ্ধে সমাবেশে মিলিত হয়। গত চার বছরের মধ্যে এটি তুরস্কে সরকারবিরোধী সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ-সমাবেশ।

এরদোগান সরকার-বিরোধীরা গত ১৫ জুন আঙ্কারা থেকে লং-মার্চ শুরু করে এবং ওইদিন তা ইস্তাম্বুলে গিয়ে শেষ হয়। সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দল পিপলস রিপাবলিকান পার্টির নেতা কেমাল কিলিচদারুগলোর আহ্বানে ওই লং-মার্চ হয়। লং মার্চ শেষে তিনি গত বছরের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের সময় হাজার হাজার লোককে গ্রেফতার ও কারাগারে প্রেরণের তীব্র সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, সরকার ওই ব্যর্থ অভ্যুত্থানের দোহাই দিয়ে বারবার মানুষের ওপর নির্যাতন ও ধরপাকড় চালাচ্ছে। তারা প্রকারান্তরে এ থেকে এক অনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছে। তিনি আরো বলেন, এর মাধ্যমে সরকারের একনায়কত্বের চিত্রই ফুটে উঠেছে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট এরদোগান এ ধরনের সমাবেশকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলে ঘোষণা করেছেন। উল্লেখ্য ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই’র ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের জের ধরে তুরস্কে এক লাখ ৩০ হাজার সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বরখাস্ত এবং হাজার হাজার মানুষকে বন্দি করা হয়েছে।

-এজেড


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ