সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি রুখতে ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘকে টিআইবির নিন্দা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হামিম আরিফ: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি রুখতে ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘের নিন্দা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

রবিবার (৮ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের ব্যর্থতার নিন্দা জানান।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সর্বশেষ রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কে আগে থেকেই অবগত ছিল জাতিসংঘ। এর পরেও সময়মতো সঠিক ভূমিকা না রাখার কারণে সাম্প্রতিক রোহিঙ্গা সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এ ব্যর্থতার জন্য জাতিসংঘের নিন্দা করেছে টিআইবি।

আজ প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানায় টিআইবি। এ বিষয়ে গার্ডিয়ানের একটি সংবাদের লিংক সংযুক্তি হিসেবে প্রদান করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

গার্ডিয়ানের সে সংবাদে বলা হয়, রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের অধীনে নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞদের দিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছিল। রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সহিংসতা শুরু হওয়ার আগেই ওই বিশেষজ্ঞরা প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলেন। সেই প্রতিবেদনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের নীতির সমালোচনা করা হয়। তবে জাতিসংঘ ওই প্রতিবেদনের সুপারিশগুলো নিয়ে কাজ করার বদলে তা চেপে যাওয়ার চেষ্টা করে।

জাতিসংঘের ওই প্রতিবেদনটি নিয়ে সঠিক সময়ে কাজ করার ক্ষেত্রে ব্যর্থতার কারণেই সাম্প্রতিক রোহিঙ্গা সংকট প্রকট হয়েছে বলে দাবি করে টিআইবি।

টিআইবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাতিসংঘের এ নিষ্ক্রিয় থাকার ঘটনায় ব্যাখ্যা দাবি করে। বিশেষ করে জাতিসংঘ যা করার কথা বলে, সেটিই করতে না পারার ব্যাপারে ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত। জাতিসংঘও জবাবদিহির ঊর্ধ্বে নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতিসংঘের ওই প্রতিবেদনটি অবশ্যই প্রকাশ করা উচিত এবং এই ব্যর্থতার জন্য যাঁরা দায়ী, তাঁদের বিচারের আওতায় আনা উচিত।

উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাদের তথাকথিত ক্লিয়ারেন্স অপারেশন শুরুর পর এ পর্যন্ত ৫ লাখেরও বেশি মানুষ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। যা এখনো অব্যাহত। নিরিত রোহিঙ্গাদের উপর তারা অমানবিক নির্যাতন ও নিপিড়ন চালিয়ে দেশ ছাড়া করেছে।