রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ মহাসচিবের ফোন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রোহিঙ্গা ইস্যুতে কথা বলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করেছিলেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে টেলিফোন করেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

তিনি জানান, এ সময় দুজনের মধ্যে প্রায় ২০ মিনিট আলোচনা হয়। দীর্ঘ আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও অন্যান্য সেবা দেয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

প্রেস সচিবের ভাষ্যমতে গুতেরেসকে শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের নিজ ভূমিতে যাতে ফিরে যেতে পারে সেজন্য উপায় বের করতে ইতোমধ্যেই মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ শুরু করেছে বাংলাদেশ।’’

গুতেরেসকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আপনি খুব ভালোভাবে জানেন, সমস্যার মূল মিয়ানমারে এবং সেখানেই এই সংকটের সমাধান পাওয়া যাবে।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুতেরিসকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ৫ দফার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

জাতিসংঘে উপস্থাপন করা ৫ দফা হলো-

১। মিয়ানমারকে অবশ্যই রাখাইন রাজ্যে অবিলম্বে এবং চিরতরে নিঃশর্তভাবে সন্ত্রাস এবং জাতিগত নিধন বন্ধ করতে হবে।

২। জাতিসংঘ মহাসচিব মিয়ানমারে অবিলম্বে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন পাঠাবে।

৩। ধর্ম এবং জাতীয়তা নির্বিশেষে মিয়ানমারকে অবশ্যই সকল বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মিয়ানমারের ভেতরে এ জন্য ‘নিরাপদ অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

৪। বলপূর্বক তাড়িয়ে দেয়া সকল রোহিঙ্গা নাগরিককে বাংলাদেশ থেকে টেকসই প্রত্যাবর্তন মিয়ানমারকে নিশ্চিত করতে হবে।

৫। কপি আনান কমিশন রিপোর্ট পুরোপুরি অবিলম্বে নিঃশর্তভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ