রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

সব হুমকি উপেক্ষা করে জেরুজালেমকে ট্রাম্পের স্বীকৃতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : সারা বিশ্বের প্রতিবাদ ও হুমকি উপেক্ষা করে জেরুজালেমকে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

হোয়াইট হাউসে এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন।

সাথে সাথে তিনি আমেরিকান দূতাবাস তেল আভিভ থেকে জেরুজালেমে সরিয়ে নেয়ারও অঙ্গীকার করেছেন।

ট্রাম্প বলেছেন, এ ঘোষণা বাস্তবতা মেনে নেয়ার শামিল এবং জেরুজালেম ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে অধিক কার্যকর। মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এ পদক্ষেপ ছিল ‘দীর্ঘ প্রতীক্ষিত’।

এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের একজন মুখপাত্র সাবধান করে দেন যে এই সিদ্ধান্ত এলাকার জন্য ‘বিপজ্জনক পরিণতি ডেকে আনবে।’

অন্যদিকে ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

কিন্তু এই ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় নিন্দা জানিয়ে প্যালেস্টাইনের নেতা মাহমুদ আব্বাস এটিকে 'দুঃখজনক' হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আর হামাস ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, এই সিদ্ধান্ত এতদ অঞ্চলে 'নরকের দ্বার খুলে দেবে'।

সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বলেছেন, এই ঘোষণা 'সারা পৃথিবীর মুসলিমদের ঘোরতর ভাবে প্ররোচিত করবে'।

এই ঘোষণার প্রতিবাদে ইতোমধ্যেই গাজায় এবং তুরস্কের ইস্তাম্বুলে মার্কিন কনসুলেটের সামনে মিছিল হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বাঁকবদলকারী সিদ্ধান্তটিকে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস 'ভীষণ উদ্বেগের মুহূর্ত' বলে উল্লেখ করেছেন।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরেজা মে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থণ না করে বলেছেন, সে অঞ্চলে শান্তি আনয়নের পথে এটি কোনো উপকারী পদক্ষেপ হবে না।

এছাড়া ফরাসী প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কূটনীতিক ফেদেরিকা মোগেরিনি-ও বিষয়টিকে উদ্বেগের বলে মনে করছেন।

সূত্র : বিবিসি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ