বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ আমিরে মজলিসের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তার সৌজন্য সাক্ষাৎ সাইয়েদ আসজাদ মাদানীর সফর উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা আজাদ কাশ্মিরে দুপক্ষের সংঘাত, ২ পুলিশসহ নিহত ৯ বন্যাপরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, খুলে যাচ্ছে বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্র কুয়েত-বাহরাইনে ইরানের হামলা, বাজছে সাইরেন জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস বোর্ড বিলুপ্তির পর ৪৫৬ মাদরাসার অনুদান বাতিল করল উত্তরাখণ্ড সরকার ভিসার মেয়াদ শেষেও সৌদিতে থাকলে ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা, ৬ মাস কারাদণ্ড মাওলানা ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

ঘৃণা করবেন কাকে? গুনাহগার নাকি গুনাহকে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শাহনূর শাহীন: আমরা প্রত্যেকেই হর হামেশা গুনাহের কাজে লিপ্ত হই। আবার প্রত্যেকেই গুনাহগারকে ঘৃণা করি। ক্ষেত্র বিশেষে গুনাহগারের প্রতি বিষেদাগার করি। কিন্তু গুনাহগারকে ঘৃণা করার ব্যপারে ইসলামি আদর্শ কী তা আমরা অনেকেই জানি না।

মহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান বলেন, আমাকে এক লোক বলল হুজুর কাউকে গুনাহ করতে দেখলে আমার খুব ঘৃণা লাগে। আল্লামা মাহমুদুল হাসান তাকে জিজ্ঞেস করেন ঘৃণা কাকে করেন গুনাহকে নাকি গুনাহগারকে? লোকটি বলল, গুনাহগারকে।

তখন মাহমুদুল হাসান দা.বা. লোকটিকে বলেন, আপনার ভিতর অহংকার আছে। কারণ হাদিস শরীফে আছে ’ ‘গুনাহকে ঘৃণা করো, গুনাহগারকে নয়’। কেননা এটাতো জানা নেই যে, ব্যক্তি এখনো গুনাহের মধ্যে আছে নাকি নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে পূর্বের চেয়ে আরো বেশি আল্লাহ তাআলার নিকটবর্তী হয়ে গেছে।

গুনাহগারকে ঘৃণা করা হলো এমন একজন কালো লোককে কালো হওয়ার কারণে ঘৃণা করার মতো। অথচ এই কালো লোকটিকেও আল্লাহ তাআলাই সৃষ্টি করেছেন।

আল্লামা মাহমুদুল হাসান বলেন, আপনি এজন্য অহকাংরী যে, আপনি নিজেকে বড় মনে করছেন আর ওই লোকটিকে গুনাহ করার কারণে ছোট মনে করছেন। আপনি কিভাবে ভাবলেন যে, আপনি আল্লাহর কুব প্রিয় আর ওই ব্যক্তি তা নয়?

সুতরাং বুঝা গেলো গুনাহগারকে ঘৃণা করার আমাদের মোটেও উচিত নয়। গুনাহগার নয় বরং ঘৃণা করতে হবে গুনাহকে। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে বুঝার তাওফিক দান করুন।আমিন।

এসএস/

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ