রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলের সাফল্য : নিরপেক্ষ ভেন্যুতে বসতে রাজি তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবরার আবদুল্লাহ
বিশেষ প্রতিবেদক

বিশ্বব্যাপী তাবলিগ জামাতের চলমান সংকট নিরসনের লক্ষ্যে ভারত সফরে রয়েছে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল।

উলামায়ে কেরাম ও তাবলিগি মুরব্বিদের সমন্বয়ে গঠিত এ প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যে  দারুল উলুম দেওবন্দ, দিল্লির নিজামুদ্দিন ও গুজরাট সফর করেছেন।

তারা দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম মাওলানা আবুল কাসেম নোমানী, দিল্লি মারকাজের আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী এবং গুজরাটে মাওলানা ইবরাহিম, মাওলানা ফারুক, ডক্টর সানাউল্লাহ, মাওলানা ইসমাইল গুজরাটি, হাকিম আবদুল মান্নান প্রমুখের সঙ্গে দেখা করেছেন।

ভারত সফররত বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল এরই মধ্যে সাফল্যের দেখা পেতে শুরু করেছেন। বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলের উপস্থিতিতে মাওলানা সাদ কান্ধলভী ঘোষণা দিয়ে তার আপত্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার (রুজু) করেছেন।

গুজরাট সফরের পর ভারতের উভয় ধারার তাবলিগি মুরব্বিগণ এক সাথে বসতেও সম্মত হয়েছেন বলে আওয়ার ইসলামকে জানিয়েছেন ভারত সফররত প্রতিনিধি দলের একাধিক সদস্য।

তারা বলেছেন, গুজরাটে একটি মাদরাসার মেহমানখানায় নিজামুদ্দিন ছেড়ে যাওয়া তাবলিগি মুরব্বি মাওলানা ইবরাহিম, মাওলানা ফারুক, ডক্টর সানাউল্লাহ, মাওলানা ইসমাইল গুজরাটি, হাকিম আবদুল মান্নান প্রমুখের সঙ্গে তাদের দীর্ঘ সাক্ষাৎ হয়েছে। এ সময় তারা মারকাজ ছেড়ে আসার কারণ ও মারকাজে মারামারি ঘটনা তুলে ধরেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল সমস্যার সমাধান বের করার উপর গুরুত্ব দেন এবং তাদেরকে একত্রে বসার অনুরোধ করেন। মুরব্বিগণ বসতে রাজি হলেও মাওলানা সাদ-এর শর্ত ‘নিজামুদ্দিনে বসা’র ব্যাপারে আপত্তি জানান এবং নিজেদের জীবনের প্রতি শঙ্কা প্রকাশ করেন।

এর বিপরিতে তারা কান্ধলা, সাহারানপুর অথবা একটি ফার্ম হাউজে বসার প্রস্তাব করেন। মাওলানা সাদ-এর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরাও একটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে বসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে প্রতিনিধি দলের সদস্য মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক গুজরাটে অবস্থানরত মুরব্বিদের নিকট টঙ্গী ইজতেমায় অংশগ্রহণের ব্যাপারে মতামত জানতে চাইলে তারা লিখিত মতামত প্রদান করেন। সেখানে তারা উল্লেখ করেন, মতবিরোধ নিয়ে টঙ্গী ইজতেমায় অংশ নিলে মতবিরোধ বাড়বে এবং বাংলাদেশে তাবলিগ জামাতের কাজ ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তাই এ বছর টঙ্গী ইজতেমায় তারা অংশগ্রহণ করবেন না।

উল্লেখ্য, এ আজ বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল গুজরাট থেকে আবার দিল্লির নিজামুদ্দিন যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তারা একত্রে বসার ব্যাপারে সরাসরি মাওলানা সাদ-এর সঙ্গে কথা বলবেন।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ