শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

লন্ডনের মসজিদে সবার জন্য খাদ্য কর্মসূচি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জার্মানি থেকে আসা ইভাকে উত্তর লন্ডনের দিকে হেঁটে যেতে দেখা যায়। সেখান থেকে তিনি উষ্ণ খাবার সংগ্রহ করেন। লন্ডনের যারা গৃহহীন, তাদের জন্য এই খাবারটা আসলেই অনেক কিছু।

গত পাঁচ বছর ধরে লন্ডনে থাকছেন ইভা। আর তিন বছর ধরে তিনি গৃহহীন। একজন পরিচ্ছন্ন কর্মী হিসেবে তার চাকরি হারানো পর থেকে তিনি রাস্তায় বসবাস করে আসছেন। তিনি একটি কাজের খোঁজে হন্যে হয়ে বেড়াচ্ছেন। লন্ডনের একটি গির্জা থেকে তিনি এরআগে খাবার সংগ্রহ করতেন। যেটা এখন প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

গির্জা থেকে তিনি খাবার ও সামান্য আশ্রয় পাওয়ার আগে বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও ক্যাফেতে তিনি খাবার চেয়ে বেড়াতেন। কিন্তু তাদের নীতির কারণে তারা আমাকে খাবার দিতে চাইতো না বলে জানান তিনি।-খবর আনাদুলু সংবাদ সংস্থার।

গত দুই বছর ধরে ইভা ফিন্সবুরি পার্ক মসজিদ থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খাবার সংগ্রহ করেন। সেখানে তিনি রাতের খাবার খেয়ে অন্য গৃহহীন ও স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে আলাপ করেন। মসজিদ থেকে বিভিন্ন পদের ও বিভিন্ন দেশীয় খাবার দেয়া হয় গৃহহীনদের।

২০১৫ সালের আগস্টে ফিন্সবুরি পার্ক মসজিদ সবার জন্য খাদ্য কর্মসূচি চালিয়ে আসছে। সেখানে খাবার ছাড়াও অন্য সহযোগিতাও করা হয়। মসজিদ থেকে স্থানীয় নানা সুবিধা ও সেবা নিয়ে গৃহহীনদের তথ্য সরবরাহ করা হয়।

ফিন্সবুরি পার্ক মসজিদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ কোজবার বলেন, সবার জন্য খাদ্য কর্মসূচি একটি ছোট প্রকল্প। আমাদের কমিউনিটির সহায়তায় এটা আমরা চালু করেছি। সবারই উচিত এ ধরনের সহযোগিতায় এগিয়ে আসা। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ভেতরেও আমাদের অংশিদার আছে। তারা আমাদের এই প্রকল্পটি চালু করতে সহায়তা করেছে।

তিনি বলেন, এটা সবার জন্য উন্মুক্ত। যে কেউ এখান থেকে সেবা নিতে পারেন। ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সবাইকে আমরা খাবার দেয়ার চেষ্টা করি। বেকার ও গৃহহীনদের আমরা অন্যান্য সহযোগিতা দেয়ারও চেষ্টা করছি। যুগান্তর।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ