রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

চট্টগ্রামের ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার মামলায় ৩ জনের ফাঁসি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম :  চট্টগ্রামের দক্ষিণ কাট্টলী এলাকায় এক তরুণীকে গণধর্ষণের পর শ্মশানে লাশ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় তিন আসামিকে ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত।

বুধবার চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক বেগম রোকসানা পারভীন এ রায় দেন। দণ্ডিত আসামিরা হলেন- সুজন কুমার দাশ, সমীর দে এবং যদু ঘোষ।

এদের মধ্যে গ্রেপ্তার সুজন কুমার দাশকে রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির করা হয়। এ মামলার অন্য দুই আসামি পলাতক।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি নজরুল ইসলাম বলেন, ২০১১ সালের ৮ জুন নগরের দক্ষিণ কাট্টলী এলাকার মহাজন শ্মশান এলাকায় পোশাকশ্রমিক পান্না রানী দাশকে গণধর্ষণ করা হয়। পরে কেরোসিন ঢেলে তার লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়। এ ঘটনায় নিহত পান্নার বোন চন্দনা রানী দাশ বাদী হয়ে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার শুরু হয়। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় দেন।

সরকারি কৌঁসুলি বলেন, বিচারক রায়ের আদেশে তিন আসামিকে ফাঁসির আদেশের পাশাপাশি পৃথক আরেকটি ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেন।

মামলার বাদী চন্দনা রানী দাশ সাংবাদিকদের বলেন, রায়ের আদেশে তারা সন্তুষ্ট। উচ্চ আদালতেও যেন এই রায় বহাল থাকে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ