রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

মুক্তামনির মত বিরল রোগে ভোগছে মোশাইকা (ভিডিও)

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সৈয়দ আবদুর রহমান

মোশাইকা রহমান (মিশুমনি)। বয়স: ৯মাস। রোগের নাম: ডাক্তারদের মতে CP অর্থাৎ খিঁচুনি। এখন ডাক্তারদের দেয়া ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী সময়সীমা শেষ।

তাই বাড়িতে যন্ত্রণাময় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে এখন । জন্মের ৫মিনিট পর থেকে অদ্যাবধি প্রতিনিয়ত হাত-পা, ঘাড় শক্ত কতে হঠাৎ হঠাৎ ঝাঁকুনি দিয়ে আসছে। আর বিগত চারমাস বয়স থেকে দেখা যাচ্ছ যে, খিচুঁনির সাথে মেরুদন্ডও ধনুকের মত যেন বাঁকা করে ফেলছে

। করে কান্নাকাটি করে আসছে অবিরাম। প্রতি মুহুর্ত মৃত্যুর সাথে লড়ছে। ঘুম ও বুকের দুধ খাওয়া দাওয়া নেই। বাড়তি দুধ চামচ দিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে।

গর্ভকালীন ও ডেলিভারী থেকে এখন ৯মাস বয়স পর্যন্ত তার মায়ের স্বাস্থ্য জানান দিচ্ছে সেও এখন বড় ক্লান্ত। বাচ্চার যন্ত্রণাময় কান্নার সাথে তার মাও যখন কান্না জুড়িয়ে দেয় তখন দুনিয়াটা নীলবর্ণ হয়ে যায় আমার কাছে।

কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালের স্বনাম ধন্য অনেক শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের প্রাণপন চেষ্টার পরও যখন অবস্থার কোনো উন্নতি হচ্ছিল না তখন ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি) হাসপাতালের শিশু নিউরোবিভাগের চেয়ারম্যান ও ঢাকা মেডিকেলের শিশু নিউরো বিভাগের সাবেক প্রধান এবং সেন্ট্রাল হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান ও ঢাকা ন্যাশনাল ইনিস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স এন্ড হাসপাতালের শিশু নিউরো বিভাগের প্রধান ডা.নারায়ন চন্দ্র সাহাকে দেখানো হয়েছে।

গত ৬/৭মাস ধরে তাঁদের কাছ থেকে চিকিৎসা নেয়া হচ্ছে। কিন্তু বিন্দু পরিমান কোনো উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। বরং দিনদিন অবস্থা অবনতি ও জটিলতার দিকেই যাচ্ছে। সবচেয়ে দুঃখজনক বাস্তবতা হচ্ছে, হাসপাতালে যখন বাচ্চাটি জবাই করা মুরগির মত (ভিডিও দেখলে বুঝতে সহজ হবে) ছটফট করতে থাকে তখনো ডাক্তারদের ইতিবাচক কোনো তৎপরতা দেখা যায় না।

শুধু তাঁরা নিরবে চেয়ে থাকেন। আমার মনে হচ্ছে ডাক্তারা আন্তরিকভাবে বাচ্চাটিকে দেখেননি। তাই বাচ্চা বারবার সঠিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

মেয়ের বাবা বলেন, বিভিন্ন আলেমদের কাছ থেকে নানা ধরনের চিকিৎসাও চলেছে। কিন্তু এতেও কোনো কাজ হচ্ছে না। কোনো কোনো ডাক্তার বলেছেন দুনিয়াতে এই রোগের কোনো চিকিৎসা নেই। আধুনিক বিশ্বে যেখানে ক্যানসারসহ নানা জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা ও ঔষুধ আবিষ্কার হয়েছে, যেখানে চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির কথা বলে বলে বিশ্বমিডিয়া প্রতিদিন খবর প্রকাশ করে মানুষকে আশ্বস্ত করছে সেখানে নাকি আমার মেয়ের রোগটির কোনো চিকিৎসা আবিষ্কার হয়নি! এটা কতটুকু বাস্তব সম্মত কথা জানি না। বিষয়টি কি আসলেই সত্য?

এইজন্য বিজ্ঞ সকল চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, ছাত্র ও যুব সমাজ এবং সচেতন সকল নাগরিকদের কাছে বিনয়ের সহিত অনুরোধ জানাচ্ছি যে, আমার মেয়ের সুচিকিৎসা ও সুস্থতার ব্যাপারে আপনাদের কোনো সঠিক তথ্য জানা থাকলে দয়া করে আমাকে ইনবক্স করুন।

বিশেষ করে বিজ্ঞচিকিৎসকগণ যদি এই ব্যাপারে একটু আন্তরিক হয়ে এগিয়ে আসেন তাহলে আল্লাহ এই চেষ্টাকে হয়ত কবুল করে আমার বাচ্চাকে সুস্থতা দান করতে পারেন।

লেখক:  পিতা:সৈয়দ আবদুর রহমান।
গ্রাম:টেকপাড়া, ইসলামাবাদ।
সদর, কক্সবাজার।

https://www.facebook.com/drabur.rahman/videos/1825102927793624/

আরো পড়ুন- এক নওমুসলিমের সাহরিবিহীন ২০ঘণ্টা রোজার স্মৃতি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ