রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

সরকারি ব্রিজের সুবিধা নিচ্ছে দুই পরিবার; ভোগান্তিতে ৩০ হাজার মানুষ!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দল্টা বাজার এলাকায় একটি খালের ওপর সরকারি অর্থায়নে ব্রিজ নির্মিত হলেও, দুটি প্রভাবশালী পরিবারের কারণে ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছেন না চার গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ।

ফলে নিরুপায় হয়ে ব্রিজটির পাশেই বাঁশের সাঁকো তৈরি করে যাতায়াত করছেন স্থানীয়রা।এ বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন সুরাহা হয়নি। বরং স্থানীদের উল্টো হামলা-মামলার হুমকি দিচ্ছেন স্থানীয় দুই পরিবার।

জানা যায়, রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের দল্টা বাজার এলাকায় অবস্থিত এ ব্রিজটি। ২০১২-১৩ অর্থ বছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক পাকা সেতু-কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের অধীনে এ ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়।

ব্রিজ নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় ২০ লাখ টাকা। দল্টা, জাফরনগর ও মানিকপুরসহ ৪ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পর এ ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের কিছুদিন পর স্থানীয় প্রভাবশালী মনির হোসেন ও হুমায়ুন কবির জোর করে ব্রিজের উত্তর পাশে বাড়ির গেইট করে মানুষের যাতায়াত বন্ধ করে দেয়।

পরে স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে ব্রিজের পাশ দিয়ে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। সাঁকো পারাপার হতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার স্বীকার হতে হচ্ছে স্কুলের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, চার গ্রামের ৩০ হাজার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য সরকার এ ব্রিজটি নির্মাণ করে। কিন্তু মানুষের চলাচলের পথ বন্ধ করে দেয় স্থানীয় প্রভাবশালী মনির হোসেন ও হুমায়ুন কবির।

এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে মামলা-হামলাসহ নানান ধরনের ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দেয় তারা। তাদের ভয়ে এলাকার কোনো মানুষ মুখ খুলতে সাহস পায় না বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়। এ নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও কোনো লাভ হয়নি। উল্টো হয়রানির শিকার হতে হয়।

এইচজে

আরো পড়ুনযাকাত হিসেবের অাধুনিক পদ্ধতি (ভিডিও)


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ