রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

পেশাদার কিলার একজন এমবিবিএস ডাক্তার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম:  চিকিৎসা পেশার আড়ালে ডা. জাহিদুল আলম কাদির আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবসা করতেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৭ জুন) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, জাহিদুল অস্ত্র ব্যবসার পাশাপাশি কন্ট্রাক্ট কিলিংয়ে অংশ নিতেন।

সর্বশেষ এক লন্ডন প্রবাসীর কাছ থেকে সিলেট অঞ্চলের একজন সংসদ সদস্যকে হত্যার কন্ট্রাক্ট পেয়েছিলেন জাহিদুল। এর আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাকে।

জাহিদুলের স্থায়ী বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার পোড়াদহের বাবুপাড়ায়। তার বাবার নাম হাবিবুর রহমান। বড় হয়েছেন পাবনায়। এইচএসসি পাস করার পর ময়মনসিংহে চলে যান। পরে সেখানেই থেকে যান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ১৫ মে জাহিদুল আলমকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে দুটি পিস্তল, ৮ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার করে সিটিটিসি। পরে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, স্ত্রী মাসুমা আক্তার তার সঙ্গে অস্ত্র ব্যবসায় জড়িত।

ময়মনসিংহের বাগমারায় তার বাসায় অভিযান চালিয়েও প্রথমে কিছু পাওয়া যায়নি। তার দেওয়া তথ্যে ৩ জুন ঢাকার গাবতলী এলাকা থেকে তার স্ত্রী মাসুমাকে একটি বিদেশি পিস্তল, ৪ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আবারও রিমান্ডে নেওয়া হয় জাহিদুলকে।

স্বামী-স্ত্রীকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, ময়মনসিংহের বাগমারা এলাকায় তাদের নিজের বাসায় আরও আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ জুন) ভোরে ওই বাসা থেকে ১২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১ হাজার ৬১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

এর মধ্যে পয়েন্ট টু টু বোরের রাইফেল তিনটি, পয়েন্ট থ্রি নট থ্রি রাইফেল একটি, পয়েন্ট থ্রি টু বোর রিভলবার চারটি, পয়েন্ট টু টু রিভলবার একটি, সেভেন পয়েন্ট সিক্সটি ফাইভ পিস্তল দুটি ও পয়েন্ট টু ফাইভ পিস্তল একটি।

এসব অস্ত্র ও গুলি বিশেষভাবে তৈরি একটি স্টিল কেবিনেটের পেছনে লুকানো ছিল।

আরো পড়ুন- রোহিঙ্গা নিধনের বিচারে আইসিসিতে বাংলাদেশের সম্মতি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ