মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মতপার্থক্য থাকতেই পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়: প্রধানমন্ত্রী বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসার বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম–কক্সবাজারে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে আমিরে মজলিসের ত্রাণ বিতরণ ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলায় রাবেতার সঙ্গে কাজ করবে পাকিস্তান দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ

মানব দেহের জন্য ঝুঁকি পলিথিনের ব্যবহার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার  ইসলাম: দেশে আশির দশকে প্রথম পলিথিনের শুরু হয়। এরপর মাত্র ১৫ থেকে ২০ বছরে এর ব্যবহার এত বেড়েছে যে এটি পরিবেশ ও মানবদেহের জন্য ঝুঁকি হয়ে

দাঁড়িয়ে। যে কারণে পরিবেশ রক্ষায় ২০০২ সালের জানুয়ারী থেকে এটি ব্যবহার, উৎপাদন ও পরিবহন করাকে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করা হয়।

আইনটি বাস্তবায়ণে শুরুর দিকে কঠোর হলেও ধীরে ধীরে শিথিল হয়ে পড়ে এর প্রয়োগ। ক্রমেই আইনটির প্রয়োগ শিথিল হতে হতে এখন বোঝার কোনো উপায়ও নেই যে দেশে পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ।

হারহামেশাই ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ এ বস্তুটি। যেকারণে পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আর্থ ডে নেটওয়ার্ক বলছে, প্লাস্টিকের কারণে পরিবেশ দূষণে বাংলাদেশের অবস্থান দশম।

পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) বলছে, রাজধানীতে প্রতিদিন গড়ে ২ কোটি পলিথিন একবার ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়া হয়। কারণ পলিথিন ব্যবহারে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই এবং এটি একেবারেই সহজলভ্য বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিক্রেতারা যেকোনো পণ্যের সঙ্গে ক্রেতাদেরকে দিচ্ছে বিনামূল্যে। সেই সঙ্গে এমন পরিস্থিতিতে আইনের কঠোর প্রয়োগ না থাকায় নগরীর পুরান ঢাকায় এখনও নিষিদ্ধ এ পলিথিন উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ছোট-বড় তিনশটি কারখানায়।

আরো পড়ুন- ইসলাম গ্রহণ করলেন আইরিশ গায়িকা সিনিড ওকনর

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ