শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

ইয়েমেনে ১৩১ মিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে দুর্ভিক্ষে থাকা ইয়েমেনে জরুরি খাদ্য সহায়তায় ১৩১ মিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের দেওয়া এক বিবৃতিতে ওই ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে আরও বলা হয়, এখন পর্যন্ত ২০১৮ অর্থবছরে তারা ৬৯৭ মিলিয়ন ডলার মানবিক সহায়তা দিয়েছে।

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সবার কাছে খাবার পৌঁছানোর জন্য অস্ত্রবিরতির মাধ্যমে অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। সহিংসতা থামিয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানের মধ্য দিয়ে লাখ লাখ মানুষের দুর্দশা বন্ধ করতে হবে বলেও বিবৃতিতে আহ্বান জানানো হয়।

২০১৪ সালে ইয়েমেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট আলী আব্দুল্লাহ সালেহের প্রতি অনুগত সেনা সদস্যদের সঙ্গে একজোট হয় ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। ওই সময় তারা সানাসহ দেশটির বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন সংঘাত শুরু হয় ইয়েমেনে।

ইয়েমেনের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আব্দ-রাব্বু মানসুর হাদির কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ২০১৫ সালের ২৬ মার্চ থেকে সৌদি আরব ও তার মিত্র দেশগুলো ইয়েমেনে সামরিক অভিযান পরিচালনা শুরু করে।

এ অভিযান শুরুর পর ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হন। ঘরহারা হন কয়েক লাখ মানুষ।

শিশুদের অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন সেভ দ্য চিলড্রেন সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানায়, গত তিন বছরে ইয়েমেনে যুদ্ধের সময়ে অপুষ্টিতে ভুগে ৮৫ হাজার শিশু মারা গেছে। দেশটিতে বর্তমানে ৫ বছরের কম বয়সী হাজারও শিশু ভয়াবহ অপুষ্টিতে বেড়ে উঠছে। চিকিৎসা না দেওয়া হলে বছরে এসব শিশুদের প্রায় ২০-৩০ শতাংশ প্রাণ হারাবে।

গৃহযুদ্ধ ছাড়াও খরাজনিত কারণে কলেরায় ইয়েমেনের পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র: মিডলইস্ট মনিটর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ