মোস্তফা ওয়াদুদ: ভারতের জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সেক্রেটারি ও সাবেক এমপি মাওলানা মাহমুদ মাদানি আসামের নাগরিকদের সঙ্গে ন্যায় বিচারের আহ্বান জনিয়েছেন।
গতকাল ভারত সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গাগাই ও বিচারপতি রোহান্টন ফালীর যৌথ ব্রাঞ্চ আসামের জাতীয় নাগরিক তালিকা (এনআরসি) বিষয়ে শুনানি করেছে।
এ সময় আসাম সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার, ও এনআরসি কো-অর্ডিনেটরকে এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা আগামী ৩১ জুলাই'১৯ তারিখে জমাদানের আদেশ করা হয়েছে।
সুপ্রিমকোর্ট জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত বিষয়ে আর দেরী করা হবে না। এদিকে আদালতের এ আদেশ জারী করার পর স্থানীয় সরকারী সকল ডিমার্টমেন্টের কর্মকর্তাবৃন্দ চূড়ান্ত তালিকা তৈরির কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।
এদিকে গতকাল বুধবার (০৯ মে) এনআরসির কো-অর্ডিনেটর মিস্টার প্রতীক হাজীলা আদালতকে জানিয়েছেন যাদের তালিকা ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে তাদের থেকেও প্রায় দুই লাখ ৬০ হাজার লোকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কিন্তু আদালতে যখন এ ব্যাপারে শুনানি হয় তখন মামলাকারীরা অনুপস্থিত ছিলো। তাদের ব্যাপারে আদালত কি ব্যবস্থা নিবে? এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গাগাই বলেছেন, আপনারা নিঃসঙ্কোচে আইনের মাধ্যমে এদের মোকাবেলা করুন। সাথে সাথে ন্যায়ের সাথে বিষয়টির সমাধান করুন। কারো সাথে অন্যায় আচরণ করা থেকে বিরত থাকুন।
এদিকে আদালতের জারী করা আদেশ ও মিস্টার প্রতীক হাজালির আপিলের প্রতিক্রিয়ায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী বলেছেন, যাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অথচ মামলাকারীরা আদালতে অনুপস্থিত রয়েছে। এটা সম্পূর্ণ অন্যায় ও নিয়ম বহির্ভূত। আমরা চাই আসাম প্রদেশের নাগরিকদের সাথে ন্যায়বিচার করা হোক।
আর জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ আসাম প্রদেশের সভাপতি মাওলানা বদরুদ্দীন আজমল বলেছেন, এটি একটি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা। এরকম অনৈতিক মামলাকে আদালত খারিজ করবে বলে আমি আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
গতকালকের শুনানিতে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের প্রদেশ সভাপতি সাবেক পার্লামেন্ট মেম্বার বদরুদ্দীন আজমল বলেছেন, যেসব মামলা প্রমাণ করার জন্য মামলাকারীরা আদালতে উপস্থিত হচ্ছে না। সেসব মামলাকে নিষ্পত্তি করা উচিত। এবং মামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
তিনি আরো বলেন, যদি উপরোক্ত মামলা সংক্রান্ত কর্মকর্তাবৃন্দ আদালাতের রায় মোতাবেক ন্যায়ের সাথে কাজ না করে তাহলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আদালতে যাবো।
কারণ একজন লোক অনেক ক