শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১০ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
চট্টগ্রামে বিএসটিআই ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ‘সরকার বিদ্যুতের ট্যারিফ স্থিতিশীল রাখতে একাধিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে’  ‘নবীন কর্মকর্তারা মাঠমুখী হয়ে কাজ করলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে’ গণভোটের ফলাফলে সংশোধনী এনেছে ইসি  ‘সরকারি কর্মকর্তারা সঠিক সময়ে অফিসে না আসলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ জামালপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: জরিমানা ২০ হাজার  বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই: নরেন্দ্র মোদী স্বাস্থখাতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী নতুন মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের বাসা বরাদ্দ চূড়ান্ত, কে কোথায় পেলেন রোজায় পানি শূণ্যতা পূরণ করবে যে ৫টি ফল

‘ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকারকে কৃষিবান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ধানের উৎপাদন, লাভ-ক্ষতি ও ন্যায্যমূল্যের ওপর শুধু কৃষকের ভাগ্য জড়িত নয়; দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও ওপ্রোতভাবে জড়িত।

এ বছর দেশে ধানের ফলন ভাল হলেও ধান বিক্রি করতে গিয়ে কৃষক নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে। প্রতি মণ ধান বিক্রিতে দেড় থেকে দুই শত টাকা লোকসান গুণতে হচ্ছে তাদের। এক শ্রেণির অসাধু, অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ী ও দালালচক্র কৃষকের এই অসহায় অবস্থার সুযোগ নিচ্ছে।

মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন, বিশ্বব্যাপী খাদ্যশস্য, পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীতে সরকার ভর্তুকি দিয়ে জনগণের পাশাপাশি উৎপাদকদের স্বার্থও রক্ষা করে থাকে। কিন্তু আমাদের দেশে ফড়িয়া, মজুদদার ও কিছু অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছলচাতুরীতে বাজার, ভোক্তা, এমনকি সরকারও বেকায়দায় পড়ে।

এদেশে ধানের ন্যায্য মূল্য থেকে কৃষকদের বঞ্চিত হওয়ার কারণও তাই। তিনি বলেন, দেশে চাহিদার তুুলনায় বেশি ধান-চাল আছে। তার পরও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে সরকারি-বেসরকারিভাবে গত ১০ মাসে দুই লাখ টন চাল আমদানি হয়েছে এবং আরো তিন লাখ ৮০ হাজার টন চাল আমদানির অপেক্ষায় আছে। কৃষকশ্রেণী মনে করে, বাড়তি উৎপাদন ও আমদানীকৃত চাল বাজারে প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি করায় ধানের মূূল্য কমে গেছে।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ধানের ন্যায্যমূল্যের সাথে কৃষকের বাঁচা-মরার সংগ্রাম নিহিত। তাই ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে চাল আমদানি বন্ধ, কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয়সহ বিভিন্ন কৃষি বান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সেই সাথে দীর্ঘ মেয়াদী পদক্ষেপ হিসেবে সরকারী গুদামের ধারণ ক্ষমতা আড়াই থেকে তিন গুণ বাড়াতে হবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ