রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

ধূমপায়ীর সংখ্যা কমাতে দাম বাড়ছে সিগারেটের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে বাজেটে সিগারেটের দাম বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গত চার বছরে বেশ কিছু সিগারেটের দাম বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।

এ বছর একসঙ্গে দেশে উৎপাদিত সব ধরনের সিগারেটের দামই বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে ২০ শলাকা সিগারেটের প্রতি প্যাকেটে দাম বেড়েছে ৩৬ টাকা পর্যন্ত। সাম্প্রতিক সময়ে এই মূল্য সর্বোচ্চ।

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে উচ্চমূল্য স্তরের সিগারেটের দাম প্রতি ১০ শলাকা প্যাকেট ৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯৩ টাকা ও ১০৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২৩ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া নিম্নস্তরের সিগারেট ৩৫ টাকা থেকে ৩৭ টাকা এবং মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম ৪৮ টাকা থেকে ৬৩ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে বিড়ি ও ধোঁয়াবিহীন তামাকে। এত ব্যাপক হারে সব ধরনের সিগারেটে দাম বাড়ানোর নজির নিকট অতীতে দেখা যায়নি। এ দাম বাড়ানোকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অধূমপায়ীরা।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দাম বাড়িয়ে ধূমপায়ীর সংখ্যা কমানোর যে লক্ষ্য সরকার নির্ধারণ করেছে, তার প্রধান বাধা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া অবৈধ সিগারেট।

আর বাজারে শৃঙ্খলতা ফিরিয়ে এনে ও সব ধরনের অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ করে সরকার নির্ধারিত মূল্য বাস্তবায়ন করা গেলে তামাকমুক্ত দেশ গড়া অসম্ভব কিছু না বলে ধারণা করছেন তারা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ