শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

'ওরা কেউ জঙ্গি নন, গণতন্ত্রের স্বার্থেই ওদের মুক্তি দেয়া উচিত'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলুপ্ত করার পর থেকে তোলপাড় গোটা ভারতের রাজনীতি। রাজ্যসভায় তৃণমূল সাংসদরা ওয়াকআউট করলেও দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও মন্তব্য করেননি।

অবশেষে আজ মঙ্গলবার তিনি মুখ খুলেন। ৩৭০ ধারা বিলুপ্তি নিয়ে কোন মন্তব্য না করলেও প্রশ্ন তুললেন পদ্ধতি নিয়ে। একই সঙ্গে কাশ্মীরের নেতা-নেত্রীদের গ্রেফতার হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ওরা কেউ জঙ্গি নন, গণতন্ত্রের স্বার্থেই ওদের মুক্তি দেয়া উচিত’।

তিনি আরও বলেন, গতকাল থেকে যা ঘটছে, ভারতের বাকি নাগরিকদের মতো আমিও নজর রাখছিলাম। আমি বিশ্বাস করি কাশ্মীরের বাসিন্দারাও আমাদের ভাইবোন। আমি এ সিদ্ধান্তের বিষয়বস্তুর কথা বলছি না। কিন্তু আমি পদ্ধতির সঙ্গে আমি একমত নই। আমাদের দল কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মমতা বলেন, আমরা এ বিলকে সমর্থন করতে পারি না। আমরা ভোট দেইনি । কারণ সাংবিধানিক, আইনিগত এবং পদ্ধতিগতভাবে এটা প্রশংসনীয় নয়। এটা গণতান্ত্রিক ভাবেও করা হয়নি।

উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার ৩৭০ ধারা বিলুপ্ত করে জম্মু-কাশ্মীরের ‘বিশেষ মর্যাদা’ তুলে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যসভায় অমিত শাহের এ প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেন তৃণমূল সাংসদরা। অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, শুখেন্দুশেখররায়রা। ফলে বিলের বিপক্ষেও ভোট দেননি দলের সাংসদরা।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ