শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ।। ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়েও ‘হেদায়েত’ করা গেল না তাকে! জমিয়তের খাস কমিটির বৈঠক, ত্রাণ ফান্ডে সহযোগিতার আহ্বান ‘ইসলামি গবেষণাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে’ ইসলামী আন্দোলনের লালমনিরহাট জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ‘জুলাই চেতনার কথা বলে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস চালানো দ্বিচারিতা’ বন্যা দুর্গতদের পাশে আলেম, ইসলামি সংগঠন ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো ইমামুল হিন্দের নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস অন্যায়: মাওলানা আরশাদ মাদানী ‘আল-মুঈন ত্রাণ তহবিলে’ উদারহস্তে সহযোগিতার আহ্বান হাটহাজারীর মুহতামিমের ঢাকায় ‘ইমামুল হিন্দ শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত দুই দশক পর কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা, মাওলানা সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর কড়া প্রতিক্রিয়া

রাজধানীতে রেস্তোঁরা থেকে ‘ক্যাসিনো’র সরঞ্জাম উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্তোঁরায় অভিযান চালিয়ে ক্যাসিনোর সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে এক চীনা নাগরিক পরিচালিত এক রোস্তোঁরা থেকে দুটি ইলেক্ট্রিক গ্যাম্বলিং মেশিন ‘মাহাজং’ উদ্ধার করা হয় বলে নিশ্চিত করেন অধিদপ্তরের সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

জানা যায়, উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরে ‘হবনব’ নামের কফি হাউজ ও রেস্তোঁরার মালিক চীনা নাগরিক কেন্ট। এ কফি হাউজে অবৈধভাবে দুইটি গ্যাম্বলিং মেশিন দিয়ে জুয়া খেলা চলত। দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলায় এ মেশিন দুইটি সরিয়ে রাখা হয়েছিল। কয়েকদিন আগে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেল থেকে একই ধরনের আরেকটি মেশিন উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান মামুন।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অনুসন্ধানে দেখা যায়, নিনাদ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামক একটি কোম্পানি ২০১৮ সনের জুলাই মাসে চায়না থেকে এই ক্যাসিনো মেশিন আমদানি করে। ২০টি কার্টুনে ৭ সেট মাহাজং মেশিন আনা হয়। এই মেশিনগুলো ওই কোম্পানি বিভিন্ন চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ও ব্যক্তি মালিকানায় বিক্রি করে।

মেশিনগুলো আমদানিতে আন্ডার ইনভয়েসিং করে বিপুল পরিমান শুল্ক ফাঁকি দেয়া হয়েছে বলেও জানান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মুহা. শহীদুল ইসলাম। তিনি বলেন, মেশিনগুলোর মূল্য ৪৭ হাজার ৮১৫ টাকা ঘোষণা দিয়ে পণ্যচালান খালাস করেছে নিনাদ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল।

কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা যায়, এ ধরনের প্রতিটি ইলেক্ট্রিক মেশিনের আনুমানিক দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা। সে মোতাবেক ৭ সেট মেশিনের মূল্য ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই হিসেবে এই সাতটি মেশিনের মূল্য আমদানি পর্যায়ে প্রযোজ্য শুল্ক করাদির পরিমান দাঁড়ায় আরও ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকা। কিন্তু ওই কোম্পানি আমদানি পর্যায়ে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকা শুল্ককর ফাঁকি দিয়েছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ