শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ।। ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতের আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ৮ জনের মৃত্যু  ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়েও ‘হেদায়েত’ করা গেল না তাকে! জমিয়তের খাস কমিটির বৈঠক, ত্রাণ ফান্ডে সহযোগিতার আহ্বান ‘ইসলামি গবেষণাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে’ ইসলামী আন্দোলনের লালমনিরহাট জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ‘জুলাই চেতনার কথা বলে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস চালানো দ্বিচারিতা’ বন্যা দুর্গতদের পাশে আলেম, ইসলামি সংগঠন ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো ইমামুল হিন্দের নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস অন্যায়: মাওলানা আরশাদ মাদানী ‘আল-মুঈন ত্রাণ তহবিলে’ উদারহস্তে সহযোগিতার আহ্বান হাটহাজারীর মুহতামিমের ঢাকায় ‘ইমামুল হিন্দ শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত

মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে মিয়ানমার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রতি এড়াতে বানোয়াট প্রচারণা চালাচ্ছে মিয়ানমার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে দেশটিকে মিথ্যাচার বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ, মিথ্যাচার ও আসল তথ্যের অপব্যাখ্যা করছে মিয়ানমার। মিয়ানমারের এমন মিথ্যাচার প্রত্যাখ্যান করে গভীর হতাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।

এ দিকে মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক মন্ত্রী উ কিয়াও তিনের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এ বিবৃতি দেয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি উ কিয়াও তিন আজারবাইজাইনের বাকুতে অনুষ্ঠিত ন্যাম সম্মেলনে অভিযোগ করেন, ধর্মীয় নিপীড়ন, জাতিগত নির্মূল অভিযান ও গণহত্যার মতো শব্দ ব্যবহার করে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টিকে বাংলাদেশ ভিন্নভাবে চিত্রায়িত করছে।

অপরদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ধর্মীয় নিপীড়ন এবং জাতিগত নিধনের বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। এটাই বাস্তবতা। রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফেরা এবং সেখানে নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশ তৈরির বিষয়টি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার বিষয়টি মিয়ানমারকে গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে বলেছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরো বলা হয়, মিয়ানমারের বিপুল সংখ্যক জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত নাগরিক কয়েক দশক ধরে বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে। এদের মধ্যে অল্প কিছু সংখ্যকই তাদের দেশে ফিরে গেছে। জাতিগত ও ধর্মীয় বিবেচনায় এদেরকে তাদের বাসস্থান থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গাদেরকে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ‘অবৈধ অভিবাসী’ হিসেবে অব্যহত প্রচারণা চালানোর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ। উপনিবেশীয় আমলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে অনুপ্রবেশ করে বলে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইতিহাস থেকে জানা যায় যে রোহিঙ্গারা একটি আলাদা জাতিগোষ্ঠী। বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন বর্ণ ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে গঠিত একটি জনগোষ্ঠী। এরা রাখাইন রাজ্যের আদি বাসিন্দা।’ এর আগের দুই দফায় মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ তাদের দেশ থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদেরকে তাদের বৈধ নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে প্রত্যাবাসন করেছে। কারণ রোহিঙ্গাদের জাতীয়তা নিয়ে বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘এই পর্যায়ে এসে রোহিঙ্গাদের পরিচয় নিয়ে বিতর্কের প্রচেষ্টা স্পষ্টত ইঙ্গিত দেয় যে মিয়ানমার এখনো তাদের জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীদের বিতাড়নের নীতিতেই অটল রয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ