আওয়ার ইসলাম: দেশের স্বাধীনতা সুরক্ষা ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তীব্র ছাত্র গণজাগরণ সৃষ্টি করতে ছাত্র সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
তিনি বলেন, “দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব আজ সংকটাপন্ন, জনগণ তাদের মৌলিম অধিকার থেকে বঞ্চিত, দুর্নীতিবাজ, লুটেরা এবং তাবেদার শক্তি দেশের মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে। এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্যে ছাত্র সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশের স্বাধীনতা সুরক্ষা ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তীব্র ছাত্র গণজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে।”
৩ নভেম্বর (রবিবার) দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম শহরের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় ছাত্র সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম এ আহ্বান জানান।

ভোলার বোরহান উদ্দীনের ঘটনা উল্লেখ করে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, “ইসলাম, মহান আল্লাহ তায়ালা, রাসুল সা. সহ মুসলমানদের স্পর্শকাতর বিষয়ে অশ্লীল কটুক্তি করে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেয়া এদেশের একটি সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। ভোলার বোরহান উদ্দীনে মুসলমানদের আবেগ অনুভূতিতে আঘাত করার পর মুসলমানদের স্বভাবজাত ঈমানী প্রতিক্রিয়াকে প্রশাসন বর্বর কায়দায় দমন করে। এতে ৪ প্রাণহানী ঘটে, ৫ হাজার মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়।”
তিনি বলেন, "একটি মুসলিম প্রধান দেশে মুসলমানদের প্রানাধিক প্রিয় রাসুল সা. কে নিয়ে কটুক্তি করা হবে, তার প্রতিবাদ করলে গুলি করে হত্যা করা হবে আবার মামলা দিয়ে হয়রানীও করা হবে, এটা সহ্য করা যায় না। ভোলার ঘটনায় নিহত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, আহতদের চিকিৎসা খরচ দিতে হবে এবং অবশ্যই গণমামলা প্রত্যাহার করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এই ধরণের ঘটনা রোধে কার্যকর আইন পাশ করতে হবে।"
চরমোনাই পীর বলেন, "বাংলাদেশের রক্তে কেনা স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে অনতিবিলম্বে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রশাসনকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। সুষ্ঠু রাজনৈতিক সংস্কৃতি তৈরী করতে হবে।"
ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্র