মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন তুরস্কের ইবন হালদুন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আজহারী কঠোর পর্দা মেনেও সেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় সৌদি অধ্যাপক নাজলা রাদ্দাদি আল-হাইআতুল উলয়ায় চাকরি, আবেদন ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী

জাবিতে আন্দোলনকারীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে অপসারণের দাবিতে চলা আন্দোলনে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আন্দোলনকারীরা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আদেশ প্রত্যাখ্যান করে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তারা।

বুধবার রাতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে এ ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।

কর্মসূচি ঘোষণাকালে আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ছাত্রফ্রন্ট নেতা মাহাথির মুহাম্মদ বলেন, আগামীকাল সকাল নয়টায় প্রশাসনিক ভবনে তালা, ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল এবং সন্ধ্যা ছয়টায় উপাচার্যের বাসভবনের সামনে কনসার্ট। উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এই অবৈধ উপাচার্যের সমস্ত কার্যক্রম প্রত্যাখ্যান করছি। সুতরাং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গৃহীত কোন সিদ্ধান্ত আমরা মানি না। ফারজানা ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছেন, কিন্তু তার অফিস চালু রেখেছেন। এর কারণ হলো শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসের বাইরে পাঠিয়ে লুটপাট চালু রাখতে চান তিনি।

মাহাথির অভিযোগ করে বলেন, আমাদের ফেসবুক পেজ হ্যাক করা হয়েছে এবং সেখানে আন্দোলন সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করা হচ্ছে। আমাদের আন্দোলনকে দমানোর জন্য ফারজানা ইসলাম তার সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছেন। উপাচার্যের পতন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন চলবে।

এর আগে রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সালাম সাকলাইন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৫ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৬ নভেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীরা আবাসিক হলসমূহ ত্যাগ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরের দোকানপাটও বন্ধ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করেন, এই সময়ে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে কোনো শিক্ষার্থীর অবস্থান সমীচীন নয়।

তাতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে এবং ভিতরে অবস্থানরত কোনো শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে সভা-সমাবেশ, মিছিল করতে পারবে না এছাড়া কোনো অফিস বা আবাসিক এলাকায় অবস্থান করতে পারবে না।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ