শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৮


কেয়ামত পর্যন্ত হকের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে একটি দল: বায়তুল মোকাররমের খতিব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল ব্যক্তিদের কেউ নিশ্চিহ্ন করতে পারবে না। কেয়ামত পর্যন্ত একটি দল হকের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে এবং বিরোধীরা তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। আল্লাহ তায়ালা এভাবেই তাঁর দীন ও হকপন্থীদের হেফাজত করবেন বলে মনে করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) জুমার নামাজের আগে বায়তুল মোকাররমে দেওয়া খুতবায় তিনি এসব কথা বলেন।

মুফতি আবদুল মালেক বলেন, নবীজি সা. জানিয়েছেন, কেয়ামত পর্যন্ত একটি দল হকের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে। কেউ তাদের ক্ষতি করতে পারবে না। তারা সত্যের ওপর অবিচল থাকবে। আল্লাহ তাআলা এভাবেই হককে সংরক্ষণ করেছেন।

রাসুলুল্লাহ সা.-এর নাম ও গুণাবলি তুলে ধরে খতিব বলেন, তাঁর সবচেয়ে প্রসিদ্ধ দুটি নাম মুহাম্মদ ও আহমদ। এ দুটি নাম পবিত্র কুরআনেও এসেছে। কুরআনে আল্লাহ তাআলা রাসুলুল্লাহ সা.-এর বহু গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি উম্মতের দুঃখ-কষ্টে ব্যথিত হতেন এবং মুমিনদের প্রতি ছিলেন অত্যন্ত স্নেহশীল ও দয়ালু।

রাসুলুল্লাহ সা.-এর নবুওয়াতি জীবনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নবুওয়াত লাভের পর আল্লাহ তাআলা তাঁকে আরও ২৩ বছর হায়াত দান করেছেন। এ সময়ে আল্লাহ তাঁর কুদরত ও রহমতের অসংখ্য নিদর্শন প্রকাশ করেছেন। এসব ঘটনা ও শিক্ষা জানতে সিরাত অধ্যয়ন করা প্রয়োজন।

মক্কায় রাসুলুল্লাহ সা.-এর ১৩ বছরের জীবন সম্পর্কে মুফতি আবদুল মালেক বলেন, এ সময়ে কুরআনের বেশির ভাগ সুরা অবতীর্ণ হয়। রাসুলুল্লাহ সা. সাহাবিদের কাছে আল্লাহর বাণী তেলাওয়াত করতেন, আর সাহাবিরা তা নির্ভুলভাবে লিখে রাখতেন। তিনি প্রতিকূল পরিবেশেও মানুষকে দীনের দাওয়াত দিয়েছেন। যাঁরা সে দাওয়াত গ্রহণ করেছেন, তাঁরা সৌভাগ্যবান হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ইসলামের প্রাথমিক যুগে মুমিনদের কাফেরদের হাতে নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। এরপরও তাঁরা ঈমান ও সত্যের পথে অবিচল ছিলেন।

খুতবায় রাসুলুল্লাহ সা.-এর মক্কার জীবন, মদিনায় হিজরত, মদিনার জীবনযাপন, বিভিন্ন যুদ্ধ এবং বিদায় হজের ভাষণসহ তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো সংক্ষেপে তুলে ধরেন বায়তুল মোকাররমের খতিব।

কুরআন-হাদিসের মাধ্যমে প্রাপ্ত শরিয়তের সংরক্ষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালা যে দীন নাজিল করেছেন এবং রাসুলুল্লাহ সা. সাহাবিদের কাছে যেভাবে পৌঁছে দিয়েছেন, তা সেভাবেই সংরক্ষিত রয়েছে। দীনের কোনো বিধানে কেউ পরিবর্তন আনার চেষ্টা করলে তা ধরা পড়ে। আল্লাহর দীন কেয়ামত পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে।

এসএইচ/ 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ