শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৯ মাঘ ১৪৩২ ।। ৪ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
একজন তো দিল্লি গেছে, আরেকজন তো কিছু হলেই পিণ্ডি চলে যায় : তারেক রহমান ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট : প্রধান উপদেষ্টা উত্তরবঙ্গকে কৃষি শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই : জামায়াত আমির ইসলামি দলের শীর্ষ নেতারা কে কোথায় থেকে কাদের সঙ্গে লড়ছেন ইসলামী আন্দোলনের সাথে জামায়াতের যা ঘটলো, এর জন্য আসলে দায়ী কে? হারামাইনে যারা জুমার নামাজ পড়াবেন, নির্বাচনী জনসভা মঞ্চেই জামাতে নামাজ আদায় করলেন তারেক রহমান একটি বৃহৎ দলের নীতি-অস্পষ্টতা জটিলতায় সমঝোতা ভেঙে গেছে: পীর সাহেব চরমোনাই সাড়ে ৬ মাসে পবিত্র কোরআন হাফেজা হলো ২ বোন ‘আমি স্বৈরশাসক, মাঝে মাঝে স্বৈরশাসকের প্রয়োজন হয়’

নরওয়ে কুরআন অবমাননা: মামলার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে মুসলিমরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নরওয়ের খ্রিস্টান শহর আগদারে অমুসলিম কর্তৃক মুসলিমদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআনের অবমাননার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে শহিরটির মুসলিমরা। অবমাননাকারীর শাস্তির দাবিতে তারা আইনি সহায়তাও নিয়েছে।

মুসলিম ইউনিয়ন অব আগদার কুরআন অবমাননাকারী উগ্রবাদী খিস্টান লার্শ থারসনের সর্বচ্চো শাস্তি দিতে একজন বিশেষজ্ঞ আইনজীবী নিয়োগ করেছে।

জিও নিউজ জানায়, আগাদার মুসলিম ইউনিয়নের অ্যাকাউন্টেন্ট এবং পাকিস্তান ভিত্তিক মুসলিম সংগঠন সে উগ্রবাদী থারসনের বিরুদ্ধে মামলা করতে সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

সংগঠনের মুখপাত্র ইলিয়াস বলেন, আমাদের সংগঠন আগদারের মুসলিম ইউনিয়ন একজন আইনজীবী নিয়োগ করেছে, যাতে এ কুলাঙ্গার তার জঘন্য কাজের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি পায়।

তিনি আরো বলেন, এ উগ্রবাদী খ্রিস্টান ‘শিয়ান’ নামের একটি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত আছে। তারা সভ্য নরওয়েজিয়ান সমাজে ইসলামবিরোধী প্রচার চালিয়ে সুনাম অর্জন করতে চায়। তাই তারা কুরআন অবমাননা করে লোক সম্মুখে।

পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেছেন, এই ঘটনার পরে কমিউনিস্ট পুলিশ এবং খ্রিস্টীয় সংসদের বিশিষ্ট সামাজিক সংগঠনগুলি মুসলমানদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে।

শুক্রবারের নামাজের সময় খ্রিস্টানরা মসজিদের বাইরে মুসলমানদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশের জন্য দাঁড়িয়ে ছিল, মুসলমানদের প্রতি সহানুভূতি জানাতে তাদের হাতে কার্ড ছিল, তিনি বলেছিলেন। নরওয়েজিয়ান ভাষায় আমরা ‘আমরা আপনার সাথে আছি’ এরকম কিছুু লেখা ছিলো।

এ ঘটনার পর, নরওয়ের পুলিশ কমিশনার মিস বেনেডিক্ট বেভারল্যান্ড পুলিশ বাহিনীকে কুরআনের অসম্মান বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়ে বলেন, কুরআনসহ সকল ধরণের ধর্মীয় প্রতীকের অসম্মান বন্ধ করা হবে নরওয়েতে।

এদিকে উগ্রবাদী কুরআন অবমাননার ঘটনায় কঠোর নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক, পাকিম্তানসহ বেশ কয়েকটি মুসলিম প্রধান দেশ। তারা বলেছেন, পবিত্র কুরআনের অবমাননা অগ্রহণযোগ্য, কিছুতেই এই সীমালঙ্ঘন মেনে নেয়া যায় না।

ইসলাম বিরোধী সংগঠন ‘স্টপ দ্যা ইসলামাইজেশন অব নরওয়ে’কে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার জন্য নরওয়ে-সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন তারা।

উল্লেখ্য, ১৯৬০ এর দশকে প্রথম নরওয়েতে মুসলমানদের অবস্থান দৃশ্যমান হতে থাকে। ১৯৭৪ সালে রাজধানী অসলোতে প্রথম মসজিদ স্থাপিত হয়। বর্তমানে নরওয়েতে মুসলমানরা দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জনগোষ্ঠী। ২০১১ সালের হিসাব অনুযায়ী দেশটিতে মোট জনসংখ্যার ২.৩ শতাংশ মুসলমান।

জিও নিউজ অবলম্বনে আবদুল্লাহ তামিম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ