মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৩৯ হাজার আখচাষিকে প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় কানিজ নেওয়াজ মাদরাসায় ১১ পদে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ মসজিদুল হারামে তাওয়াফ-সাঈতে বৈদ্যুতিক যানের ভাড়া কত যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে ইসলামের পথে বন্দীরা, কী বলছে গবেষণা? আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের ইসলাহি ইজতেমা সফল করতে কেরানীগঞ্জে আলেমদের সঙ্গে মতবিনিময় এশার জামাতে তৃতীয় রাকাতের সেজদায় গিয়ে আর উঠলেন না তিনি নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিলে পীর সাহেব চরমোনাই ‘শিগগিরই প্যারিস মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ শহর হবে’, মন্তব্য ট্রাম্পের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে চান প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন কয়টি ডিম খাওয়া ভালো? 

সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভোটার তালিকা হালনাগাদ না করাসহ বিভিন্ন কারণে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিট দায়ের করেন। আবেদনটির ওপর বৃহস্পতিবার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

রিটে আইন মন্ত্রণালয় সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং ঢাকার দুই সিটির রিটার্নিং অফিসারকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটের গ্রাউন্ডগুলোতে বলা হয়েছে- ২০১০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালায় স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর ক্ষেত্রে তিনশ’ ভোটারের স্বাক্ষরের বিধান রয়েছে। কিন্তু দলীয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে এই বিধান না থাকাটা বৈষম্যমূলক এবং এটি সংবিধানের ৭, ১৯, ২৬, ২৭, ২৮ ও ৩১ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ঢাকা সিটি নির্বাচনের জন্য প্রথমে ৩০ জানুয়ারি ভোটের তারিখ ঘোষণা করে তফসিল দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই তফসিল সংশোধন করে ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ঠিক করা হয়। কিন্তু বিধি অনুসারে নির্বাচন পেছানো নিয়ে তফসিল সংশোধনের সুযোগ নেই, পুনরায় তফসিল দিতে হয়। ২০১০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালার ২৭ বিধি অনুসারে নির্বাচনের পূর্বে সিটির ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। বিধি ১১(১) অনুযায়ী প্রতিবছর ২ থেকে ৩১ জানুয়ারি ভোটার তালিকা হালনাগাদের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হয় ২০ জানুয়ারি। তবে ভোটার তালিকা হালনাগাদে এখনও ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় থাকলেও নতুন ভোটাররা তালিকায় অন্তর্ভুক্তি থেকে বঞ্চিত হবেন। বিধি মোতাবেক, সিটি করপোরেশনের মেয়রের মেয়াদ হবে ১ম সভা থেকে ৫ বছর। বর্তমান মেয়রদের ১ম সভা ২০১৫ সালের ১৭ মে অনুষ্ঠিত হয়। সেই হিসেবে তাদের মেয়াদ চলতি বছরের ১৭ মে পর্যন্ত হওয়ার কথা। অথচ প্রায় ৬ মাস পূর্বে নির্বাচনের তফসিল দেওয়া হয়েছে।

আরও বলা হয়, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখের পরে যেমন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যায় না, তেমনি নির্বাচনের তারিখও পেছানো যায় না। বিধিমতে নুতন করে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। নির্বাচন কমিশন ১০(১) বিধি অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করেছে, আবার একই বিধি ১০(১) অনুযায়ী তফসিল সংশোধিত করেছে, যা বৈধ নয়। নির্বাচনের তারিখ সংশোধনের কোনও বিধান আইনে নেই। এই অবস্থায় উভয় ২০১৯ সালের ২২ ডিসেম্বরের তফসিল এবং গত ১৮ জানুয়ারির সংশোধিত তফসিল অবৈধ হবে।

রিটকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ জানান, আবেদনটির ওপর বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচাà¦