আওয়ার ইসলাম: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসে বাংলাদেশ যে আক্রান্ত হবে না সে সম্ভাবনা কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই আগে থেকেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে প্রয়োজন সচেতনতা।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবনে ডিএসসিসি আয়োজিত করোনাভাইরাস প্রতিকারে করণীয় এক সায়েন্টিফিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র খোকন বলেন, ‘চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় যা কিছু ব্যবহার করছি সব চায়নার। ৯০ শতাংশের বেশি চায়নার জিনিসপত্র ব্যবহার করি আমরা। এমনকি আমাদের সবচেয়ে বড় যে প্রজেক্ট পদ্মা সেতু, সেটিও কিন্তু চায়নারা তৈরি করছে।
এজন্য চাইনিজদের সঙ্গে আমাদের সবচেয়ে বেশি যোগাযোগ রয়েছে। তবে সে তুলনায় ঢাকা কিংবা বাংলাদেশ এখনও আক্রান্ত হয়নি। তবে আক্রান্তের সম্ভাবনা কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ বাস্তবতাকে সামনে রেখে আমাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা যেভাবে পরামর্শ দিয়েছেন আমরা সেগুলো মেনে চলে এটিকে মোকাবিলা করব।’
তিনি বলেন, ‘যদি কোনোভাবেই এটি বাংলাদেশে এসে যায়, তবে ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। তাই আমরা চাই না এমন পরিস্থিতির শিকার হয়। এজন্য আগে থেকেই আমাদের চিকিৎসকদের পরামর্শে অনুযায়ী সচেতনমূলক প্রতিকার ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি যাতে এসমস্ত বালা-মসিবত থেকে তিনি আমাদের রক্ষা করেন।’
এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ‘করোনাভাইরাস নিয়ে আতংকিত না হয়ে প্রতিরোধের বিষয়ে জোর দিতে হবে। কারণ প্রতিরোধই প্রতিকার। তাই আমরা যদি প্রতিরোধে মনোযোগ দিই তাহলে প্রতিকারের বাড়তি কোনো কিছুর প্রয়োজন হবে না। সুতরাং এ রোগের প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ অতিগুরুত্বপূর্ণ।’
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. ইমদাদুল হক, ডিএসসিসি প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রি. জেনারেল শরীফ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. আতিকুর রহমান, অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ, অধ্যাপক ডা. আফজালুন নেসা, অধ্যাপক ডা. হারিসুল হক ও বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত পরিচালকরা অংশ নেন।
-এটি