বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৫ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মিশরে পর্যটকবাহী বাসে ট্রাকের ধাক্কা: নিহত ১৩, আহত ৩৪ যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান নিয়ে ইসলামী যুব আন্দোলনের বৈঠক ২১ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি মোল্লাহাটে বিকেএমে যোগ দিলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১০ জনপ্রতিনিধি জাপানে বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা সহজ করতে সমঝোতা ধর্মমন্ত্রীর হাতে আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের ইজতেমার দাওয়াতপত্র হস্তান্তর মসজিদে হারামের ইমাম শায়খ বান্দার বালিলাহর পদোন্নতি ইশরাকের পদত্যাগের ঘটনায় আইনের কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি: অ্যাটর্নি জেনারেল সম্প্রীতির বন্ধনে ৪৫ বছর, নড়াইলে গা ঘেঁষে অবস্থান মসজিদ-মন্দিরের কুমিল্লায় বৃত্তি প্রদান ও আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ইসলাম বিরোধী বই থাকায় কালাঞ্জলির স্টল নিষিদ্ধ, যা বললেন প্রকাশক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ইসলাম বিরোধী কথা, ও ইসলাম নিয়ে কটূক্তী থাকায় ‘কালো অক্ষরে আলোর গান’ স্লোগান ধারণ করে ‘কালাঞ্জলি’ প্রকাশনীর স্টল বরাদ্ধ বাতিল করেছে বাংলা একাডেমি।

জানা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নিবন্ধিত একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এটি। একই নামে কবি কালের লিখন সম্পাদিত একটি সাহিত্য পত্রিকাও আছে। বিগত তিন বছর যাবত লিটলম্যাগ চত্বরে কালাঞ্জলিকে স্টল বরাদ্দ দিয়ে আসছে বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ। বিগত দিনগুলোতে কালাঞ্জলি বাংলা একাডেমি প্রণীত গ্রন্থমেলার সকল আচরণবিধি যথাযথভাবে পালন করে আসছে বলেও জানা যায়।

প্রকাশক এ বিষয়ে বলেন, আমরা সবাই জানি— লিটলম্যাগ চত্বরে যারা স্টল পায়, তারা যেমন নিজের প্রকাশনা স্টলে রাখে, তেমনি প্রচারের আড়ালে থাকা বা অন্যকোথাও থেকে প্রকাশিত মননশীল বইও তাদের স্টলে রাখে। যেমন কয়েকদিন আগে ভাইরাল হওয়া ‘বাঙালির জয়, বাঙালির ব্যর্থতা’ বইটিও কালাঞ্জলির স্টলে ছিল। যশোর থেকে প্রকাশিত শিশুদের সাহিত্যপত্রিকা ‘দোলন’ এর দুটো সংখ্যা কালাঞ্জলির স্টলে ছিল।

আরও কয়েকজন কবির কবিতাগ্রন্থও কালাঞ্জলির স্টলে ছিল। কয়েকদিন আগে একজন কালাঞ্জলির স্টলে ‘নানীর বাণী’ ও অন্য আরেকটি বই রেখে যায়। এভাবে বইমেলায় অনেকেই নিজের লেখা বই রাখার জন্য অনুরোধ করে।

যে ব্যক্তি স্টলে বই দিয়ে গেছে তাকে আমি দেখিনি, চিনিও না। স্টলে তখন ছিল কালাঞ্জলির দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন বিক্রয়কর্মী। এই বইটি রাখার ২ দিন পরেই গতকাল অভিযোগ আসে বইটিতে ধর্ম অবমাননাকর লেখা আছে।

আমি ভেবেছিলাম এটা হয়তো কবিতা বা গল্পের বই। কিন্তু গতকাল স্টলের সামনে গিয়ে দেখি একজন পুলিশ কর্মকর্তা কবি টোকন ঠাকুরের সাথে বইটির লেখা নিয়ে আলোচনা করছেন ও আপত্তিকর লেখাগুলো তাকে দেখাচ্ছেন। আমিও সেই প্রথম বইটার ভেতরের লেখা দেখলাম এবং সেই পুলিশ কর্মকর্তা ও কবি টোকন ঠাকুরের উপস্থিতিতে; তাৎক্ষণিকভাবে বইটির বিক্রয় নিষিদ্ধ করে দিলাম।

সেই পুলিশ কর্মকর্তার অভিযোগের পর কালাঞ্জলি থেকে কোনো বই বিক্রি হয়নি। আমি চাইনি কোনো বিতর্কিত বিষয় নিয়ে অধিক ঝামেলা হোক। আজকে বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ কন্ট্রোলরুম থেকে বইটির কপি সংগ্রহ করা হয় এবং সন্ধ্যার পর বাংলা একাডেমি মৌখিকভাবে কালাঞ্জলির স্টল বরাদ্দ বাতিল করে দেয়। আগামীকাল লিখিত নোটিশ দেওয়ার কথা জানায়।

আপনারা যারা আমাকে জানেন ও দীর্ঘদিন ফেসà¦