বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৫ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে রাজনৈতিক নেতাদের আগে দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে: আইনমন্ত্রী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত: চট্টগ্রাম-ঢাকা লেনে ট্রেন চলাচল বন্ধ প্রকাশিত হচ্ছে হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ. স্মারকগ্রন্থ উচ্ছেদ করা হচ্ছে মোদির বাসভবনের পাশের শতবর্ষী মসজিদ সাড়ে ৬ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৯৬৩ শিশুর মৃত্যু তায়েফ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্ব পেলেন শায়খ সুদাইস জাসাফের উদ্যোগে ফররুখ আহমদ স্মরণে সাহিত্য সভা সাংবাদিকদের গালি দেওয়া নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ‘প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় দুই মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হতে হবে’

১ লক্ষ উইঘুর মুসলিমকে জোর করে শ্রমিক, ৩ লক্ষ শরণার্থী ক্যাম্পে বন্দী করেছে চীন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: প্রায় এক লক্ষ উইঘুর মুসলমানকে চীনের বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। এসব কারখানা থেকে বিশ্বের ৮৩টি সুপরিচিত ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠানে পণ্য সরবরাহ করা হয় বলে জানা যায়।

গত রোববার অস্ট্রেলিয়ার গবেষণা প্রতিষ্ঠান দ্য অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনিস্টিটিউটের (এসপিআই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সরকারি নথি ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এসপিআই জানিয়েছে, চীনের ৯টি প্রদেশের অন্তত ২৭টি কারখানায় পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ শিনজিয়াং থেকে ৮০ হাজারেরও বেশি উইঘুর মুসলমানকে স্থানান্তর করা হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনের সূচনা বক্তব্যে বলা হয়েছে,‘পরিস্থিতি এটাই দৃঢ়ভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, উইঘুরদের যেসব প্রতিষ্ঠানে জোরপূর্বক শ্রম দিতে বাধ্য করা হচ্ছে সেগুলো প্রযুক্তি, পোশাক ও অটোমোটিভ সেক্টরের অন্তত ৮৩টি সুপরিচিত ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠানে পণ্য সরবরাহ করে, যার মধ্যে রয়েছে অ্যাপল, বিএমডব্লিউ, গ্যাপ, হুয়াওয়ে, নাইকি, স্যামসাং, সনি ও ভক্সওয়াগান।’

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, উইঘুরদের এই স্থানান্তর রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের অংশ। শ্রমিকদের কঠোর ও বিচ্ছিন্ন জীবনযাপনে বাধ্য করা হয়। কোনো ধরনের ধর্মীয় আচার পালন তাদের জন্য নিষিদ্ধ। এছাড়া তাদেরকে ম্যান্দারিন ভাষা শিক্ষার ক্লাসে উপস্থিত থাকতে বাধ্য করা হয়। উইঘুরদের চলাফেরা ইলেকট্রনিক্স মাধ্যমে ট্র্যাক করা হয় এবং শিনজিয়াংয়ে যাতে তারা ফিরে যেতে না পারে সেজন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এক বিবৃতিতে এই প্রতিবেদনকে অসত্য বলে দাবি করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেছেন, ‘এই প্রতিবেদনটি স্রেফ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনবিরোধী শক্তির অনুসরণ করছে, যারা শিনজিয়াংয়ে চীনের সন্ত্রাসবাদবিরোধী পদক্ষেপকে কলঙ্কিত করতে চায়।’

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ