শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

ইসলাম ও সংস্কৃতি ভাবনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতী নাজমুল হুদা নুমানী।।

ইসলাম ধর্মের নিজস্ব সংস্কৃতি তথা জীবনাচার আছে, কিন্তু নির্দিষ্ট সংস্কৃতি তথা জীবনাচার নেই, ইসলামী সংস্কৃতি-জীবনাচার ঈমানী আদর্শভিত্তিক বহুমাত্রিক বিশ্ব সভ্যতার নাম।

শিরক - নাস্তিকতা এবং হারামের উপাদানমুক্ত তাওহিদ- রিসালাত- আখেরাত-হালালের উপাদানযুক্ত হয়ে রুপ- প্রকৃতি- ধরনে যতই ভিন্ন হোক, এমন সকল সংস্কৃতি- সভ্যতাই ইসলামী সংস্কৃতি - সভ্যতা হিসেবে গণ্য৷

এ ভিত্তিতেই আরব- ইরান- ভারত- আফ্রিকা-ইউরোপ-অষ্ট্রেলিয়া-এন্টার্কটিকার জীবনাচার কোন কালে এক ছিলনা,আজও নেই, ভবিষেৎও হবেনা।

কারন ইসলাম তার সভ্যতা-সংস্কৃতির মুলনীতি দিয়েছে কিন্তু সুনির্দিষ্ট রুপ দেয়নি৷বরং রুপ- প্রকৃতি- ধরন এই শাখা গুলোকে সে স্হান-কাল-পাত্রভেদে ভিন্ন হবে বিধায় মুলনীতি নির্ধারণ করে রুপ- ধরনকে জনগণের হাতে ছেড়েদিয়েছে।

এটাই ইসলামের প্রশস্হতা এবং উদারতা,যার কারণে ইসলাম কখনোই উক্তমুলনীতি মেনে গড়ে ওঠা আরব সভ্যতাকে বিশ্ব মুসলিমের উপর চাপিয়ে দেয়নি।

বরং ইসলাম পৃথিবীর যেখানে গিয়েছে সেখানকার সভ্যতা- সংস্কতিকে উক্তমুলনীতির আওতায় এনে আপন করে নিয়েছে৷যার কারণে একমাত্র ইসলামই বিশ্বকে উপহার দিতে পেরেছে এক ঈমানী আদর্শভিত্তিক বহুমাত্রিক বিশ্বসভ্যতা।

সাহাবাদের দ্বারা গড়ে ওঠা আরব সংস্কৃতি-সভ্যতাই একক ইসলামী সংস্কৃতি -সভ্যতা নয়,বরং তা ইসলামী সংস্কৃতি- সভ্যতার একটি সর্বশ্রেষ্ঠ অংশ,ইসলামী সংস্কৃতি ব্যাপক- বিস্তৃত- বিশাল পরিধির এক ঈমানী আদর্শভিত্তিক বহুমাত্রিক বিশ্ব সভ্যতার নাম৷

যেমনিভাবে ইসলামী লেবাস বলতে নির্দিষ্ট কোন লেবাস নেই ,বরং কাপড় পাতলা না হওয়া, টাইটফিট না হওয়া,বিধর্মীর পোষাকের সাদৃশ্য না হওয়া,এই তিন মুলনীতি মেনে রুপ-প্রকৃতি- ধরনে যতই ভিন্নতা হোকনা কেন,তার সবই ইসলামী পোষাক৷

লেখক: প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল ও প্রধান মুফতী মারকাযুল ফিকহ আল-ইসলামী বাংলাদেশ,ঢাকা

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ