শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

খুলনায় প্রথমবার করোনা রোগীর শরীরে 'প্লাজমা থেরাপি'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: খুলনায় এই প্রথমবার একজন মুমূর্ষু করোনা রোগীর শরীরে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা করোনা হাসপাতালে ওই রোগীর শরীরে এ থেরাপি প্রয়োগ করা হয়।

এর মধ্য দিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজের (খুমেক) অধীনস্ত করোনা ভাইরাস ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ হলো।

খুমেকের সহকারী অধ্যাপক ও ট্রান্সফিশন মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. এস.এম তুষার আলমের নেতৃত্বে আরও পাঁচজন বিশেষজ্ঞের একটি দল এই প্লাজমা থেরাপির কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তাদের সার্বিক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন খুমেকের উপাধ্যক্ষ ও করোনা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সার্বিক সমন্বয়কারী ডা. মেহেদী নেওয়াজ।

জানা যায়, বাগেরহাটের বাসিন্দা স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন মুহা. মঞ্জুরুল বৃহস্পতিবর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে তার শরীরের প্লাজমা দান করেন। তিনি গত এপ্রিল মাসে করোনায় আক্রান্ত হন এবং পরবর্তীতে চিকিৎসকের পরামর্শে সুস্থ হয়ে ওঠেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ট্রান্সমিউশন বিভাগে রক্ত সংগ্রহ করে সেল সেপারেটর মেশিনের মাধ্যমে প্লাজমা আলাদা করে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর শরীরে তা প্রয়োগ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আহাদ, খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সি রেজা সেকেন্দার, উপাধ্যক্ষ ও করোনা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সার্বিক সমন্বয়কারী ডা. মেহেদী নেওয়াজ, করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডা. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. এস.এম তুষার আলম, ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, ডা. ফিরোজ, ডা. অনিক দেউরি ও ডা. সাইফ মানসুর।

ডা. তুষার আলম বলেন, খুলনায় এই প্রথম করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় সারাবিশ্বে স্বীকৃত চিকিৎসা পদ্ধতি প্লাজমা থেরাপি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রয়োগ করা শুরু হলো। একজন করোনা জয়ীর শরীর থেকে রক্ত সংগ্রহ করে প্লাজমা আলাদা করে করোনা আক্রান্ত এক ব্যক্তির শরীরে তা প্রয়োগ করা হয়েছে।

দু’একদিনের মধ্যে ওই রোগীর শরীরে ইতিবাচক লক্ষণ প্রকাশ পাবে এবং তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশাপ্রকাশ করেন ডা. তুষার।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ