বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

আনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার শুরু করলো ভারত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অবশেষে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ব্যবহার শুরু করেছে ভারত। বৃহস্পতিবার কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর থেকে চারটি কন্টেইনারে রড ও ডালের একটি চালান নিয়ে যাত্রা করেছে এমভি সেঁজুতি নামের একটি জাহাজ।

এটি চট্টগ্রাম হয়ে ভারতের আসাম ও ত্রিপুরা অঞ্চলে পণ্য পৌঁছে দেবে। আগামী সোমবার জাহাজটির চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

ভারতীয় হাই কমিশন ও বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ভারত-বাংলাদেশ ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির আওতায় প্রথমবারের মতো পণ্য পরিবহন শুরু হয়েছে। প্রথম জাহাজটি ৪টি কন্টেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। সেখান থেকে কাভার্ড ভ্যানে করে কন্টেইনারগুলো আখাউড়া-আগরতলা স্থলবন্দর হয়ে ভারতের ত্রিপুরা ও আসাম রাজ্যে চলে যাবে।

চারটি কন্টেইনারের মধ্যে দুই কন্টেইনার রড ত্রিপুরার জিরানিয়ার এস এম কর্পোরেশনের। বাকি দুই কন্টেইনার ডাল যাবে আসামে। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বন্দর ও সড়কপথ ব্যবহার করে ভারতীয় পণ্য তাদের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে পরিবহনের কার্যক্রম শুরু করলো।

এ বিষয়ে 'এমভি সেঁজুতি' জাহাজের এজেন্ট ম্যাঙ্গো লাইন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহা. ইয়াকুব সুজন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা বন্দর থেকে জাহাজটির ভারতের আরেক বন্দর হলদিয়ায় যাওয়ার কথা। সেখান থেকে এটি চট্টগ্রাম বন্দরের দিকে রওনা দেবে। সব কাগজপত্র হাতে পৌঁছানোর পর জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে ভেড়ানোর জন্য কাস্টমসের কাছে অনুমতি চাওয়া হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, করোনার কারণে এই মুহূর্তে বন্দরে জাহাজের কোনো জট নেই। ফলে ভারতের জাহাজটি আসার পর পরই বার্থিং কার্যক্রম শুরু করা যাবে। দেশের অন্যান্য আমদানিকারকদের মতোই নির্ধারিত হারে মাশুল আদায় করে জাহাজটিকে ছাড়পত্র দেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের অক্টোবরে দিল্লিতে চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য সরবরাহ করতে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে যে ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে ভারতের পণ্যের ক্ষেত্রেও একই সুবিধা প্রদান করবে। পাশাপাশি ভারতকে প্রায়োরিটির ভিত্তিতে স্পেস প্রদান করতে হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ