রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ।। ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
দীনের আলো ছড়াচ্ছে মুফতি শহীদুল্লাহর কীর্তি ফেনীর জামিয়া রশিদিয়া উচ্চ আদালতে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের বড় জয় শায়খ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীরকে (রহ.) মরণোত্তর সম্মাননা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘ইলমী সেমিনার’, প্রধান অতিথি দেওবন্দের মুহতামিম সোমবার চট্টগ্রামে দাওয়াহ কনফারেন্সে প্রধান অতিথি আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী আমেরিকার প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের কোনো মূল্য নেই : মুজতবা খামেনি ২৯ জুলাই ইতমিনান বোর্ডের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বড় শয়তান’ বললেন ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার রাজধানীর আরও ৫০ পয়েন্টে ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুই সেনা নিহতের জেরে ইরানে ফের হামলা যুক্তরাষ্ট্রের

বাবরি মসজিদ রায়ের দিনকে 'কালো দিবস' বললেন ওয়াইসি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের অযোধ্যায় ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংসের মামলায় সব আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়ে বিশেষ আদালতের দেওয়া রায়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন দেশটির মুসলিম নেতারা। এই দিনটিকে 'কালো দিবস' হিসেবে অভিহিত করেছেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন প্রধান ও আইন প্রণেতা আসাদুদ্দিন ওআইসি।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট নিজেই বলেছিল যে, মসজিদ ধ্বংসের ঘটনাটি চরম অন্যায় ছিল। তাহলে এই রায়ের অর্থ কী? এল কে আদভানি, উমা ভারতী, এম এম জোশী যখন ধ্বংসের সময় মিষ্টি বিতরণ করেছিল তখন আপনি কীভাবে এই রায় দিতে পারেন? এর মধ্য দিয়ে আপনি কী বার্তা দিতে চাচ্ছেন?

কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরোর (সিবিআই) অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে যে, কল্যাণ সিং ও আদভানি এই ঘটনার পেছনে ষড়যন্ত্রকারী। আদালতের এই রায় হিন্দুত্ব এবং এর অনুসারীদের সন্তুষ্ট করেছে। এখন আদালতের কাছে আমার প্রশ্ন, মসজিদটি তখন কে ভেঙে দিয়েছিল?,’ বলেন আসাদুদ্দিন ওআইসি।

ভারতীয় মুসলমানদের প্রতিনিধি সংস্থা অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল 'ল' বোর্ডের মুখপাত্র জাফরিয়াব জিলানী বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে বলেন, আমরা এই রায় নিয়ে সন্তুষ্ট নই। এটি প্রমাণ এবং আইন উভয়েরই পরিপন্থী। মামলাটি নিয়ে হাইকোর্টে যোগাযোগ করা হবে।

বিষয়টি নিয়ে শিগগিরই নেতারা বসবেন এবং পরবর্তী পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেবেন জানিয়ে বিশিষ্ট আলেম মাওলানা খালিদ রশীদ ফিরাঙ্গি মহালী বলেন, বাবরি মসজিদ মামলার চূড়ান্ত রায়ে আদালত স্পষ্টভাবে বলেছিলেন যে, ৪৫০ বছর আগে সুন্দরভাবে নির্মিত মসজিদ থেকে মুসলমানদের ভুলভাবে বঞ্চিত করা হয়েছিল। তখন সুপ্রিম কোর্টও বলেছিল যে, এটি বেআইনিভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল। তবে যদি কোনো ফৌজদারি ষড়যন্ত্র হয়, তাহলে আদালতের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ