সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

ভারত থেকে ৩ কোটি করোনা ভ্যাকসিন কিনছে বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারত থেকে ৩ কোটি করোনা ভ্যাকসিন কিনছে বাংলাদেশ। ভারতের সিরামের সাথে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট প্রথম পর্যায়ে বাংলাদেশকে করোনার তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, ভ্যাকসিনটি মানবদেহের জন্য নিরাপদ হবে। এটি কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৫নভেম্বর) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সিরাম, বেক্সিমকো এবং সরকারের ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সই অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

করোনা ভ্যাকসিন পেতে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মার সঙ্গে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিন যখন প্রস্তুত হবে তখন প্রথমেই সুবিধামতো সময়ে সিরাম ইনস্টিটিউট তিন কোটি ভ্যাকসিন বাংলাদেশকে দেবে।

সিরামের কাছ থেকে বাংলাদেশে এই ভ্যাকসিন আনার ব্যবস্থা করবে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। তারা এনে ভ্যাকসিন রাখার যে বিভিন্ন গোডাউন রয়েছে সেখানে রাখার ব্যবস্থা করবে। তিনি বলেন, এই ভ্যাকসিনটি আমরা যতটুকু জানি সবচেয়ে ভালো। এটি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি তৈরি করেছে।

ভারতে এটি তৈরি করছে সিরাম ইনস্টিটিউট। আমরা মনে করি এটি মানুষের জন্য নিরাপদ হবে। এটি এখন পর্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

মন্ত্রী আরো বলেন, আরেকটি বিষয় হলো আমরা এই ভ্যাকসিনটি তাড়াতাড়ি পাবো। এটি বিরাট বিষয়। প্রথম পর্যায়ে যে তিন কোটি ভ্যাকসিন পাবো তা আমরা দেড় কোটি মানুষকে দিতে পারবো। প্রতিটি মানুষের জন্য দুটি করে ডোজ লাগবে, ২৮ দিন গ্যাপ দিয়ে। এছাড়া প্রতি মাসে তারা ৫০ লাখ ডোজ দিতে পারবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।

এদিকে অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিন নিরাপদ, কার্যকর ও সাশ্রয়ী বলে জানিয়েছেন বেক্সিমকো ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ