শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

মাত্র ৮৬ দিনে কোরআন হিফজ করলেন জাকারিয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মাত্র ৮৬ দিনে কোরআন মুখস্থ করলেন ১২ বছর বয়সি মো. জাকারিয়া হুসাইন। মেধাবী এ কিশোর এতো অল্প বয়সে ও কম সময়ে হেফজ শেষ করায় মাদরাসা কর্তৃপক্ষসহ এলাকাবাসী তাকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে।

জানা যায়, হাফেজ মো. জাকারিয়ার বাবা সেলিম রেজা পেশায় অটোরিক্সা চালক। লজিং থেকে পড়াশোনা করে সে এমন বিরল প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে। এক ভাই দুই বোনের সংসারে সে সবার ছোট। মো. জাকারিয়া হুসাইন সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার তামাই কবরস্থান সংলগ্ন আল জামিয়াতুল আহলিয়াতুল আমিনিয়া (তামাই কবরস্থান মাদরাসা) মাদরাসার ছাত্র। ওই মাদরাসা প্রাঙ্গনে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষ অংশগ্রহণ করে।

লুঙ্গি শিল্পের গ্রাম হিসেবে খ্যাত তামাই গ্রামে মাদরাসাটি ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। দাওরায়ে হাদিস পর্যন্ত এ মাদরাসা প্রায় ১১ শ’ শিক্ষার্থী রয়েছে।

আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- সমাজসেবক আলহাজ্ব ফজলার রহমান তালুকদার, মো. রুহুল আমিন মিঠু, অধ্যক্ষ মাওলানা জহুরুল ইসলাম, মো. আবদুল মান্নান তালুকদার, মো. আইয়ুব আলী খান ও আলহাজ্ব নান্নু আকন্দ প্রমুখ।

সংর্বধনা শেষে হাফেজ মো. জাকারিয়াকে দেখতে ভিড় করেন উৎসুক জনতা। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হাফেজ জাকারিয়া বড় হয়ে হক্কানি আলেম হওয়ার আশা প্রকাশ করেন। তার শিক্ষকরা আজীবন তার পাশে থাকার কথা জানান।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াত শেষে মো. জাকারিয়া জানায়, আমি যতটুকু অর্জন করতে পেরেছি তার পেছনের মূল অবদান আমার শিক্ষক হাফেজ এনামুল হাসানের। এ ছাড়া পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও অবদান ছিল।

হাফেজ এনামুল হাসান গণমাধ্যমকে জানান, হাফেজ জাকারিয়া কম করে হলেও প্রতিদিন ৮ পৃষ্ঠা সবক শুনিয়েছে। মাঝে-মধ্যে বেশিও মুখস্থ করত। সবোর্চ্চ ১৫ পৃষ্ঠা একদিনে মুখস্থ করেছে। সে পড়াশোনায় খুবই মনোযোগী, তাকে পড়ার জন্য কখনও তাগাদা দিতে হয়নি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ