বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ‘ক্রসফায়ারের’ নিয়ে আইজিপি বক্তব্য নাকচ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে ভালো ঘুমের জন্য যে ফলগুলো খাবেন হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৫) প্রেসিডেন্টের অনুমতিতে সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে মিশর সৌদি আরবের দুই শহরে জরুরি সতর্কতা জারি   ‘নির্বাচনের আড়ালে চাপা পড়ছে ইসরায়েলের অপরাধ’

গুজব উপেক্ষা করে করোনার টিকা নিচ্ছে মানুষ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গুজব উপেক্ষা করে মানুষ করোনা ভাইরাসের টিকা নিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

সোমবার রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে করোনার টিকা নেয়ার পর সাংবাদিকদের সামনে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় সবাইকে করোনার টিকা নেয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

দেশজুড়ে শুরু হওয়া কর্মসূচির অষ্টম দিনে করোনার টিকা নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। টিকা নেয়ার পর মন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাসের টিকা আসার পরে মানুষ নানা ধরনের গুজব ছড়িয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতার কারণে করোনায় আজ মৃত্যুর সংখ্যাও কমে এসেছে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।’

পুলিশ হাসপাতালের কথা উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খান বলেন, শুধু পুলিশ সদস্যরা না। বাইর থেকে যারা আসছেন তাদেরকেও পুলিশ হাসপাতালে টিকা দেয়া হচেছ। পুলিশ হাসপাতালে ১৮টি বুথ রয়েছে। প্রতিদিন ভিড় বাড়ায় ১৮টি বুথ করা হয়েছে। আমাদের পুলিশ প্রশাসনের সবাই টিকা নিচ্ছে।

অচিরেই পুলিশ হাসপাতাল প্রথম শ্রেণি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে এমনটা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল দেশের একটি প্রথম সারির হাসপাতাল। বলার অপেক্ষা রাখে না আমরা আরও আধুনিক, যুগোপযোগী এবং প্রথম শ্রেণির হাসপাতালে উন্নীত করার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি। অচিরেই আমাদের পুলিশ হাসপাতাল প্রথম শ্রেণি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে আশা প্রকাশ করছি।’

পুলিশ হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমে এসেছে জানিয়ে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, এখন পুলিশ হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫০ এর নিচে চলে আসছে। যেখানে পুরো হাসপাতালই ছিল কোভিড আক্রান্ত রোগীতে পূর্ণ। আমাদের সেই দিনের কথা মনে হয়, যেদিন আমি প্রথম শব্দটি ব্যবহার করেছিলাম কিংকর্তব্যবিমূঢ়। সেদিন পুলিশ বাহিনীর মধ্যে একটি আতঙ্ক সৃষ্টি হয়ে গিয়েছিল। সব জায়গায় একটা আতঙ্ক ছিল, কে কোথায় যাবে? আপনারা জানেন পুলিশের ব্যারাকে একটু কষ্ট করেই থাকতে হচ্ছে। তাই এখানে সংক্রমণের হারটা বেড়ে গিয়েছিল। আমি আগেই বলেছি পুলিশের নেতৃত্বগুণ ছিল বলেই সেইখান থেকে উত্তরণ ঘটাতে পেরেছি।

‘আর একটা কথা আমি সবসময়ই বলি কোভিড-১৯ মোকাবিলায় পুলিশ কিন্তু এই হাসপাতালেই নয়, তারা কিন্তু ফ্রন্টলাইনার হিসেবেও কাজ করেছে।’-যোগ করেন স্বরাষ্টà§