বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ‘ক্রসফায়ারের’ নিয়ে আইজিপি বক্তব্য নাকচ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে ভালো ঘুমের জন্য যে ফলগুলো খাবেন হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৫) প্রেসিডেন্টের অনুমতিতে সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে মিশর সৌদি আরবের দুই শহরে জরুরি সতর্কতা জারি   ‘নির্বাচনের আড়ালে চাপা পড়ছে ইসরায়েলের অপরাধ’

মাওলানা জসিম উদ্দিনকে হত্যার পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় প্রকাশের দাবীতে হেফাজতের মানববন্ধন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জামেয়া কোরানিয়া আরাবিয়ার সিনিয়র শিক্ষক, হেফাজতে ইসলামের নেতা মাওলানা জসিম উদ্দিনকে হত্যার পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় প্রকাশের দাবীতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ মানববন্ধন করেছে আজ।

আজ সোমবার হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় প্রকাশের দাবীত হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ লালবাগ জোন থেকে মানববন্ধন করেছে৷ অনতিবিলম্বে যদি মাওলানা জসিম উদ্দিনকে হত্যার প্রচেষ্টাকারী মূলহোতাদের পরিচয় প্রকাশ করা না হয় তাহলে তৌহিদী জনতাকে দমিয়ে রাখা যাবেনা। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতৃত্বে সারাদেশে আন্দোলনের দাবানল ছড়িয়ে পড়বে বলেও ঘোষণা করেন তারা।

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিকেল পাচটায় নিজস্ব কর্মস্থল লালবাগ জামেয়া কোরানিয়া আরাবিয়া থেকে বাসায় ফেরার পথে হামলার শিকার হন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব ও লালবাগ জামেয়ার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা জসিম উদ্দিন। লালবাগ থেকে রিকশায় উঠে কিছুদূর যেতেই পেছন থেকে দৌড়ে এসে পিঠে ছুরিকাঘাত করেই পালিয়ে যায় হামলাকারী।

ঘটনার একদিন পর নিজেই বাদি হয়ে লালবাগ থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন মাওলানা জসিম উদ্দিন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত সিসিটিভি ফুটেজ থেকে দেখা গেছে, হামলাকারী টার্গেট করে শুধুমাত্র মাওলানা জসিম উদ্দিনকে ছুরি মারার উদ্দেশ্যেই সেখানে আসে। ফুটেজে ধরা পড়া হামলাকারীর এক সহযোগীকে একদিন পর পুলিশ গ্রেফতার করলে সে জানায় তারা বেশ কয়েকদিন ধরেই মাওলানা জসিমের ওপর হামলার জন্য তাকে অনুসরণ করছিল।

হামলার পর থেকে টানা আট ঘন্টা রক্তক্ষরণ হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে ডাক্তার মাওলানা জসিমের জীবন নিয়ে আশংকার কথা জানাচ্ছিলেন বারবার। আটঘন্টা পর বিভিন্ন ঔষধের মাধ্যমে রক্তক্ষরণ কমিয়ে আনা সম্ভব হলে অপারেশন শুরু করা সম্ভব হয়। দেড় ঘন্টার সফল অপারেশনের পর ডাক্তার জানায় ক্ষত অনেক বেশি গভির ছিল। তবে ছুরি চালানোর ধরণ দেখে মনে হয়েছে হার্ট বা কিডনি টার্গেট করা হয়েছিল। বেশ লম্বা জায়গা নিয়ে ছুরির পোজ দিলেও আল্লাহর অশেষ কৃপায় একটুর জন্য হার্ট বা কিডনিতে ছুরির আঁচড় পড়েনি৷ যদি একটুও আঁচড় পড়তো তাহলে আর মাওলানা জসিমকে বাচানো সম্ভব হত না।

ডাক্তারের বর্ণনা থেকে স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে এটি একটি টার্গেট কিলিংয়ের পরিà