বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ‘ক্রসফায়ারের’ নিয়ে আইজিপি বক্তব্য নাকচ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে ভালো ঘুমের জন্য যে ফলগুলো খাবেন হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৫) প্রেসিডেন্টের অনুমতিতে সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে মিশর সৌদি আরবের দুই শহরে জরুরি সতর্কতা জারি   ‘নির্বাচনের আড়ালে চাপা পড়ছে ইসরায়েলের অপরাধ’

২৫ বছর ধরে মসজিদে কোরআনের ক্যালিগ্রাফি করছেন হিন্দু চিত্রশিল্পী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের হয়াদারাবাদ প্রদেশের চিত্রশিল্পী অনিল কুমার চৌহান। হিন্দু ধর্মাবলম্বী হলেও আরবি ও উর্দু ভাষায় ক্যালিগ্রাফি করেন। এতেই তিনি স্বাচ্ছন্দ্য ও আনন্দবোধ করেন।

দ্য সিয়াসাত ডেইলিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত ২৫ বছর যাবত মসজিদের দেয়ালে ক্যালিগ্রাফি করছেন। শৈল্পিক রংতুলিতে পবিত্র কোরআনের আয়াত অঙ্কন করছেন। এটি তিনি নিজের পেশা হিসেবেও নির্ধারণ করে নিয়েছেন।

অনিল প্রথম দিকে দোকানের সাইনবোর্ড তৈরি করতেন। তাতে উর্দুতে আঁকাযোখা করতেন। পরবর্তীতে ক্যালিগ্রাফিতে আগ্রহবোধ করেন। তাই এক্ষেত্রে ভালো কিছু করার জন্য উর্দু ভাষা রপ্ত করেছেন।

সময়ের পালাক্রমে অনিল কুমার মসজিদের দেয়ালে আঁকাআঁকি শুরু করেন। তার শিল্পকর্ম ও নিপুণ দক্ষতার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে নানা দিকে। কোরআনের আয়াতে তৈরি তার শৈল্পিকতায় মুগ্ধ হয়― দর্শনার্থী ও অন্যরা।

অনিন্দ্য সুন্দর ক্যালিগ্রাফি ও নান্দনিক শিল্পলিপিতে অনিল খ্যাতি লাভ করতে শুরু করেন। এভাবে মসজিদের দেয়ালে দেয়ালে কোরআনের আয়াত আঁকার যাত্রা শুরু হয় তার। অনুরোধ আসতে থাকে বিভিন্ন দিক থেকে।

এই প্রসঙ্গে অনিল কুমার সংবাদমাধ্যমকে বলেন প্রথম দিকে আমি উর্দু বুঝতাম না। বলতেও পারতাম না। তাই গ্রাহক এলে তাকে বলতাম উর্দু বাক্য লিখে দিতে। যেন নির্ভুলভাবে সাইনবোর্ডে তা আঁকতে পারি। এরপর উর্দু শিখতে শুরু করি। এখন আমি ভালোভাবে উর্দু লিখতে ও বলতে পারি।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমার আঁকা ক্যালিগ্রাফিতে একজন মুগ্ধ হয়। পরে তিনি মসজিদের দেওয়ালে কোরআনের আয়াত ক্যালিগ্রাফি করার অনুরোধ করেন। গত ২৫ বছর ধরে আমি বিভিন্ন মসজিদে ক্যালিগ্রাফি করে যাচ্ছি। হায়াদারাবাদের অনেক মসজিদেই এখন আমার ক্যালিগ্রাফি আছে।

হিন্দু হয়ে মসজিদের দেয়ালে ক্যালিগ্রাফি করায়― প্রথম দিকে কিছু কিছু অভিযোগ উঠেছিল। তবে হায়দারাবাদের নিজামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় পরবর্তী সময়ে তাকে এ কাজের অনুমোদন দিয়েছে।

কোরআনের আয়াত ক্যালিগ্রাফি করতে পেরে অনিল চৌহান ভীষণ আনন্দানুভব করেন। এছাড়াও গত তিন দশকে এ পেশায় যুক্ত থেকে তিনি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হননি বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ