বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
আগামীকাল বায়তুল মোকাররমে জুমা-পূর্ব আলোচনা করবেন আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী বন্যাদুর্গতদের জন্য জুলাইয়ে ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায় বন্ধের উদ্যোগ হরমুজের পর লোহিত সাগরও বন্ধের হুমকি ইরানের তফসিল ঘোষণার ৭ দিনের মধ্যে ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রেরণের নির্দেশ ইসির ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে’  ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩০৬ জুলাই শহীদদের স্মরণে বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ শিশুদের ক্যানসার হাসপাতালের নিকটে আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ ইরানের ‘সংস্কার বাস্তবায়ন না হওয়া আবু সাঈদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল’

এবার দেশেই তৈরি হচ্ছে করোনা ভ্যাকসিন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা এখন দেশেই করোনার ভ্যাকসিন তৈরিতে হাত দিয়েছি। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ল্যাবে এটা তৈরি হবে। এ ল্যাবটি শিগগিরই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) অনুমোদন পেয়ে যাবে বলে আশা করছি।’

সোমবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সহযোগিতায় এবং হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএইচআরএফ) আয়োজনে এক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘টিকা তৈরি করতে সংশ্লিষ্ট একটা ল্যাব দরকার। ওষুধ প্রশাসনের একটি ল্যাব আছে। এই ল্যাবের একটি অংশ ইতিমধ্যে টিকা উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। ল্যাবের অনুমোদন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দেয়। অনুমোদন পেতে আমরা আবেদনও করেছিলাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আমাদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছে সেই অনুযায়ী উন্নত করে এই ল্যাবেই টিকা উৎপাদন করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘করোনায় মেডিসিনের কোনো সঙ্কট ছিল না। করোনা চিকিৎসার জন্য রাতারাতি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যে কারণে আমরা করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি। অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা অনেক ভালো করেছি। অনেক দেশে এখনো লকডাউন চলছে। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায়।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এক সময় বিশ্বে কোভিড-১৯ এর কোনো ব্যবস্থা ছিল না। তারপরও আমাদের দেশে সমালোচকরা অব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা প্রশ্ন করেছিল। আমাদের কুইক রেসপন্সে অল্প সময়ে নানা পদক্ষেপে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সফলতা আসে। আমরা সফল হয়েছি, অন্যদিকে বসুন্ধরা ও সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ৩ হাজার বেড প্রস্তুত করা হলেও রোগী পায়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো বিশ্বের যেসব দেশ করোনাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে তাদের অর্থনীতি ভালো অবস্থানে রয়েছে। যারা করোনাকে অবহেলা করেছে তাদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার লোকসান গুনতে হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউর উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ‘দেশে গণটিকা দান কর্মসূচি চলছে তার কার্যকারিতা যাচাইয়ে গবেষণা করা প্রয়োজন। এছাড়া যদের শরীরে টিকা প্রয়োগ করা হচ্ছে তার শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কিনা তাও জানা দরকার। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করতে চাই। এজন্য আমরা দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করছি। এজন্য একটি ফান্ড দরকার, সেই ফান্ডের ব্যবস্থা সরকারকেই করতে হবে।’

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মিডিয়া সেলের প্রধান অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

বিএইচআরএফের সভাপতি তৌফিক মারুফের পরিচালনা ও সহ-সভাপতি জান্নাতুল বাকিয়া কেকার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আফম রুহুল হক, বিএসএমএমইউর সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুলফিকার আহমেদ আমিন, স্বাচিপ সভাপতি ডা. এম ইকবাল আর্সলান, বিএমএ মহাসচিব ডা. এহতেসামুল হক, ডা. মোহাম্মদ শহিদুলাহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নারী দিবস উপলক্ষে বিএইচআরএফের নারী সদস্যদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ