সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২০ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

বেনাপোল সীমান্তে ভারতে প্রবেশকালে ৭ বাংলাদেশি আটক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পথে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের সময় ৭ বাংলাদেশি নারী, পুরুষকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা। তবে এ সময় কোন পাচারকারীকে আটক করতে পারেনি বিজিবি।

বুধবার (১৭মার্চ) সন্ধ্যায় ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা পুটখালী থেকে ২১ ব্যাটালিয়নের বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করে।

আটক বাংলাদেশিরা হলেন- ঝিনাহদাহের শহিদুল ইসলামের ছেলে আমিরুল ইসলাম (২৩), নড়াইলের আফজাল হোসেনের ছেলে ইমরান (৩০), মিসমিল্লা মোল্লার স্ত্রী কুলছুম খাতুন (৩২), মানিগঞ্জের প্রফুল্ল চন্দ্র হালদারের ছেলে সবুজ হালদার (২৫), খুলনার আতিয়ার হালদারের ছেলে লালচাঁন হালদার (৩৭), হান্নান শেখের ছেলে শহীদ শোখ (৪৩) ও লালচাঁন হালদারের স্ত্রী মিনারা খাতুন (৩৫)।

বিজিবি সুত্রে জানায়, তাদের কাছে গোপন খবর আসে ভাল কাজের প্রলোভন দেখিয়ে দালাল চক্র বেশ কিছু বাংলাদেশি নারী শিশুকে ভারতে নেয়ার চেষ্টা করছে। খবর পেয়ে বিজিবি সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করে। ভারতে ঢোকার চেষ্টাকালে ধাওয়া করে ৭ বাংলাদেশি নারী, পুরুষকে আটক করে। এর আগে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান পাচারকারীরা।

বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক ( এএসআই) আতিয়ার রহমান জানান, আটকদের বিরুদ্ধে বিজিবির দেওয়া অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোর আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে স্থানীয় একটি সুত্র জানায়, দালালরা সীমান্তের ঘাট মালিকদের সাথে চুক্তি করেই অবৈধ পথে পথে নারী, শিশু পাচার করে থাকে। দালালদের সাথে বিভিন্ন দপ্তরের এক শ্রেণির প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে রয়েছে গভীর সখ্যতা ও লেনদেন। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই ধরা ছোওয়ার বাইরে থাকে অভিযুক্তরা। কোনভাবেই বন্ধ হয়না বিভিন্ন ধরনের পাচার ও চোরাচালান কার্যক্রম।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ