মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

কাদের মির্জার 'নেতৃত্বে' হোটেল ভাংচুরের অভিযোগ, মালিকসহ আহত ৬

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সেতুমন্ত্রীর ভাগিনাসহ প্রতিপক্ষ বাদল অনুসারীর নেতাকর্মীদের নাস্তা খাওয়ানোর অপরাধে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে আজমিরী হোটেল নামে বসুরহাটের একটি খাওয়ার দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার রাত পৌনে ৯টায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মেয়র হোটেল মালিকের ২০ হাজার টাকা জরিমানাও ঘোষণা করেন; যা আগামীকাল রোববার সকালের মধ্যে ব্যাংকে জমা দেয়ার নির্দেশ দেন।

হামলায় আহত হোটেল মালিক ও বসুরহাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনকে কোম্পানীগঞ্জ থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আরও ৫ জনকে বসুরহাট সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে মেয়রের ভাগিনা ফখরুল ইসলাম রাহাতের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন নাস্তা খেতে ওই হোটেলে আসেন। খবর পেয়ে একদল অনুসারী নিয়ে হোটেলের সামনে গিয়ে হরতালবিরোধী বক্তব্য দেন কাদের মির্জা।

এর কিছুক্ষণ পর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র কাদের মির্জার নেতৃত্বে হোটেলে গিয়ে তাদের দোকানের সাইনবোর্ডের বর্ধিত অংশ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন এবং নগদ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ সময় তর্কাতর্কি করায় কাদের মির্জার লোকজন হোটেলে হামলা চালিয়ে মালিকসহ কর্মচারীদের মারধর করা হয়।

পরে পৌরসভা থেকে এক্সকেভেটর গাড়িসহ ৪০-৫০ জন লোক পাঠিয়ে হোটেলের সামনের অংশ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভাংচুরের সত্যতা দেখেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, হোটেলের বর্ধিতাংশ ভেঙে ফেলতে ১০ দিন আগে বলা হয়েছিল। কিন্তু হোটেল মালিক সেই নির্দেশ না মানায় পৌরসভার পক্ষ থেকে তা ভেঙে দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে ভাগিনা ফখরুল ইসলাম রাহাত বলেন, এ নগ্ন হামলা মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অপরাজনীতির আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ। রাহাত দাবি করেন, পৌরসভার মেয়র হয়ে ব্যবসায়ীর জরিমানা করার কোনো এখতিয়ার তার নেই।

খবর পেয়ে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ