সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

ক্ষমা একটি মহৎ গুণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা শমশীর আহমদ: ক্ষমা বলা হয় কোন মানুষের উপর প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্বেও ক্ষমা করে দেওয়া। আমরা হলাম মানব সত্তা, আর মানব সত্তা বিভিন্ন বৈশিষ্ট নিয়ে গঠিত, এর মধ্যে একটি হল বিভিন্ন সময়ে ভুল করে থাকা, আর ভুলটা হতে পারে ২ ধরনের (১) ইচ্ছাকৃত ভুল (২) অনিচ্ছাকৃত ভুল। বিভিন্ন সময়ে নিজের অজান্তে ভুল করা মানব সত্তার একটি বৈশিষ্ট, আর ক্ষমা করা আল্লাহ তায়লার বিশেষ একটি গুণ। আমরা হলাম সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ সেই হিসাবে আমাদের উপর পারিবারিক, সামাজিক, জাতীয়, রাষ্টীয় ও অান্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেক দায়িত্ব কর্তব্য রয়েছে, সেই দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করতে গিয়া আমরা বিভিন্ন সময় অনিচ্ছাবশত ভুল করে থাকি।

ইসলাম ধর্মে ২ ধরনের ক্ষমার কথা বর্ণিত আছে (১) আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা (২) মানুষের পক্ষ থেকে ক্ষমা। আল্লাহর ইবাদত বন্দেগী বা তার সাথে সুসম্পর্ক স্হাপন করতে গিয়া আমরা যে ভুল করে থাকি সেই ভুলের জন্য যদি মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, তাহলে আল্লাহ চাইলে আমাদেরকে ক্ষমা করে দিতে পারেন আর যদি কোন মানুষের কাছে কোন অন্যায়/জুলুম বা কার হক নষ্ট করে থাকি তাহলে সে ( নির্যাতিত ব্যক্তি) যতক্ষন পর্যন্ত অপরাধ ক্ষমা না করবে ততক্ষন পর্যন্ত সেই অপরাধ ক্ষমা হবে না।

ক্ষমা সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেনঃ
فَمَنْ تَابَ مِنْۢ بَعْدِ ظُلْمِهٖ وَاَصْلَحَ فان الله يتوب وعليه ان الله غفور رحيم.
অর্থঃ কোন ব্যক্তি সীমালংঘন/ অন্যায় কাজ করার পর তওবা করে এবং নিজেকে সংশোধন করে, তাহলে নিশ্চয় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন, নিশ্চয় ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।

একবার রাসুল (সাঃ) এক ইহুদির কাছ থেকে নির্ধারিত তারিখে পরিশোধ করার শর্তে কিছু ধার এনে ছিলেন, পরবর্তিতে ঐ ইহুদি নির্ধারিত তারিখ আসার আগেই রাসুলের কাছে রাসুল (সাঃ) এর কাছে এসে জামা খামছিয়ে ধরে বলতে লাগল, হে মুহাম্মদ তুমি ও তুমার বংশ টালবাহানাকারী তুমি আমার পাওনা পরিশোধ করনা কেন? এবং অকট্ট্য ভাষায় কথা বলতে লাগল, তখন হযরত ওমর (রাঃ) চোঁখের সামনে রাসুলের সাথে খারাপ ব্যবহার দেখে তা বরদাশত্ করতে না পেরে রাসুল (সাঃ) কে বললেন ইয়া রাসুলাল্লাহ আপনি যদি আমাকে অনুমুতি দেন? তাহলে আমি ঐ মুনাফিককে হত্যা করে দিব, তখন রাসুল (সাঃ) বললেন হে উমর (রাঃ) তুমি তাকে ধমক দিওনা বরং তুমার জন্য উচিৎ ছিল, তার পাওনা পরিশোধ করার জন্য আমাকে উৎসাহিত করা, যাও তার পাওনা পরিশোধ করে দাও আর তুমি যেহেতু তার সাথে দুর্ব্যবহার করেছ এজন্য তার বদলা হিসাবে তার পাওনা থেকে আর কিছু অতিরিক্ত দিয়ে দাও।

অন্য একটি হাদিসে এসেছে একবার রাসুল (সাঃ) এর কাছে এক ইহুদি মেহমান হলে রাসুল (সাঃ) তাকে উন্নতমানে খাদ্য দিয়ে মেহমানদারী করালেন ঘটনাক্রমে ঐ রাত্রে খাদ্য তার বদ হজম হয়ে গেল ফলে সে বিছানায় পায়খানা করে দিল, তখন সে ভয়ে পেয়ে রাসুল (সাঃ) ঘুম থেকে উঠার আগেই, তাকে না জানিয়েই চলে গেল। যাওয়ার সময় সে ভুলবশত তলোয়ার ফেলে গেল, পর্বর্তীতে সে তলোয়ার নেওয়ার জন্য আসলে সাহাবায়ে ক