মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

ভুমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: জীবিত উদ্ধার ৩৩ জনের মধ্যে ২৩ জন মাদারীপুরের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সময় লিবিয়ার তিউনিশিয়ার ভুমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় ৩৩ বাংলাদেশি উদ্ধার হয়। ওই ঘটনায় ৫০ অভিবাসী নিখোঁজ রয়েছে। এদের মধ্যে কোন কোন দেশের অভিবাসী রয়েছে তা জানা যায়নি।

তিউনিশিয়ার সেনাবাহিনী যে ৩৩ বাংলাদেশিকে জীবিত উদ্ধার করেছে তাদের মধ্যে মাদারীপুর সদর উপজেলার ২৩ জন। এর মধ্যে পেয়ারপুর একই গ্রামের ১৪ জন। নৌকাডুবিতে ওই গ্রামের সেন্টু মণ্ডল এখনো নিখোঁজ রয়েছে বলে পরিবারের দাবি। একই গ্রামের ১৪ জন প্রাণে প্রাণে বেঁচে গেলেও তাদের ফিরে পাওয়া নিয়ে পরিবারের মাঝে বিরাজ করছে অনিশ্চয়তা।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং ভুক্তভোগীদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার ৯০ জন অভিবাসন প্রত্যাশী লিবিয়ার জাওয়ারা উপকূল থেকে একটি নৌকায় অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর দিয়ে ইউরোপের ইতালি যাচ্ছিল। ইউরোপে প্রবেশের সময় উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ার উপকূলে ভুমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।

নৌকাডুবির পর তিউনিশিয়ার সেনাবাহিনী উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে ৩৩ অভিবাসন প্রত্যাশীকে জীবিত উদ্ধার করে। তাদেরকে তিউনিসিয়ায় রয়েছে বলে উদ্ধারকৃত কয়েকজন পরিবারের কাছে মোবাইলে জানিয়েছে। নৌকাডুবির ঘটনায় ৫০ জন নিখোঁজ হয়। জীবিত উদ্ধার ৩৩ জনই বাংলাদেশি। এর মধ্যে ২৩ জনের বাড়ি মাদারীপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে। এর মধ্যে পেয়ারপুর ইউনিয়নের নয়াচর একই গ্রামের ১৪ জন।

নৌকাডুবিতে একই গ্রামের সেন্টু মণ্ডল এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে তার শ্বশুর আবদুর রব জানান।

স্থানীয়রা জানায়, নয়াচর গ্রামের মানব পাচারকারী চক্র ইতালি নেওয়ার কথা বলে প্রত্যেকের পরিবারের কাছ থেকে সাড়ে ৭ লাখ টাকা করে নেয়। জমিজমা বিক্রি কিংবা ব্যাংক ঋণ এনে তারা দালালের হাতে টাকা তুলে দেয়। তবুও সন্তানরা ইতালি পৌঁছাতে পারেনি। অনেকে লিবিয়ার বন্দী শিবিরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে তাদের পরিবারের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবী করছে দালালচক্র।

নিখোঁজ সেন্টু মণ্ডলের স্ত্রী সাথী আক্তার বলেন, আমার স্বামীর খোঁজ পাইনি। তিনি বেঁচে আছেন কি না তাও জানি না। আমি এখন ৩ অবুঝ সন্তান নিয়ে কোথায় দাঁড়াবো।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন বলেন, দালালদের তালিকা করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ