বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ‘ক্রসফায়ারের’ নিয়ে আইজিপি বক্তব্য নাকচ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে ভালো ঘুমের জন্য যে ফলগুলো খাবেন হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৫) প্রেসিডেন্টের অনুমতিতে সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে মিশর সৌদি আরবের দুই শহরে জরুরি সতর্কতা জারি   ‘নির্বাচনের আড়ালে চাপা পড়ছে ইসরায়েলের অপরাধ’

সবাই জরুরি বললে পুলিশ-রাষ্ট্র অসহায়: আইজিপি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: চলমান ‘কঠোর লকডাউনে’ বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে সবাই জরুরি কাজের কথা বলে রাস্তায় বের হলে পুলিশ ও রাষ্ট্র অসহায় হয়ে পড়ে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির আয়োজনে ‘লকডাউনে’ ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্রদের মধ্যে খাবার ও নগদ ৫০০ টাকা সহায়তা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

আইজিপি বলেন, আজ গুলশানে অনেক ট্রাফিক, প্রত্যেকে জরুরি কাজের কথা বলে বের হচ্ছেন। জরুরি কাজের কথা বলে যদি ১৬-১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকে রাস্তায় বের হয়ে যায় তাহলে আমরা অসহায় হয়ে পড়ি, রাষ্ট্র অসহায় হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে আপনাকে সতর্ক হতে হবে, আমরা সবাই মিলেই কিন্তু রাষ্ট্র। দয়া করে কেউ বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হবেন না।

অনেকের বাসায় থাকতে ভালো লাগে না, বাসায় বিরক্ত লাগে বলে বাইরে বের হচ্ছেন। অনেকে আবার ‘লকডাউন’ কেমন হচ্ছে তা দেখার জন্য বের হচ্ছেন। দয়া করে এ কাজগুলো করবেন না। আসেন আমরা সবাই মিলে দেশটাকে নিরাপদ করি। আমরা বের হয়ে আক্রান্ত হবো এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আক্রমণ করবো এটা ঠিক না।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের স্থায়ীত্ব নির্ভর করছে আমাদের প্রত্যেকের আচরণের ওপর। দুই সপ্তাহ বাসায় বসে থাকা খুব বেশি কিছু না, যদি এর জন্য আমরা আগামী ৫০ বছর পর্যন্ত ভালো থাকতে পারি। দয়া করে রাস্তাঘাটে ভিড় করবেন না, জরুরি কাজ একটু কমান। এ মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘায়িত করবো কিনা সেই সিদ্ধান্ত আমাদের।

তিনি বলেন, আইসিউ বানালেই কিন্তু আইসিউ চালানো যায় না। আমাদের হাসপাতাল নিয়ে অভিজ্ঞতা আছে। আইসিউ'র জন্য বিশেষায়িত ডাক্তার-নার্স, মেডিক্যাল স্টাফ দরকার।

আপনি চাইলে আইসিউ বেড কিনতে পারবেন, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে স্টাফ বানাতে পারবেন না। সম্ভব হলে হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন ট্যাংক বসিয়ে লাইন করে দেওয়া উচিত। তাতে একটা ট্যাংক থেকে অনেক রোগী অক্সিজেন নিতে পারবে।

স্বচ্ছল ব্যক্তিদের সাধ্যমতো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে পুলিশ প্রধান বলেন, ঢাকায় দুই কোটি মানুষ বসবাস করে। প্রতিটি পরিবারে পাঁচজন করে সদস্য থাকলে সারা ঢাকায় ৪০ লাখ পরিবার বসবাস করে। যদি ৪০ লাখ পরিবার এক প্লেট করে ভাত দেয় তাহলে আপনারা ৪০ লাখ মানুষের মুখে খাবার তুলে দিতে পারবেন। দুর্যোগের দিনে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের রাষ্ট্রীয় কর্তব্য, ধর্মীয় কর্তব্য।

এ কাজে সহযোগিতার প্রয়োজন হলে পুলিশ আপনাদের সঙ্গে আছে। যদি আপনি সাহায্য করতে চান কিন্তু আপনার সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার ক্ষমতা না থাকে, আমাদের বলবেন আমরা পৌঁছে দেবো আপনার পক্ষ থেকে। আসুন আমরা হাতে হাত ধরে কাজ করি এবং এ দুর্যোগ অতিক্রম করি।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসিলাম, এফবিসিসিআই’র সভাপতি জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ