নুর আহমেদ সিদ্দিকী।।
পৃথিবীর সূচনালগ্ন থেকে হক বাতিলের দ্বন্ধ চলে আসছে। সত্য সাথে মিথ্যার, ন্যায়ের সাথে অন্যায়ের এই দ্বন্ধ চিরন্তন। যুগে যুগে হকের মশাল হাতে নিয়ে ধরণীতে কিছু মানুষের আগমন ঘঠেছে। তারা হলেন আল্লাহর প্রেরিত নবী-রাসূল। হযরত আদম আ. এর মধ্য দিয়ে নবী-রাসূলের আগমনের ধারা চলে আসছিল তা চিরতরে বন্ধ হয় হযরত মুহাম্মদ সা. এর আগমনের মাধ্যমে।
[caption id="" align="aligncenter" width="318"]
কিতাবটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন।[/caption]
তার মৃত্যুর পর ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রচারের দায়িত্বভার অর্পিত হয় তার উম্মতের উপর। পাপাচারে নিমজ্জিত মানুষের কাছে আল্লাহ তায়ালার পরিচয় তুলে ধরতে, ইসলামের সুমহান আদর্শ সবার কাছে পৌঁছে দিতে কিছু মানুষ কাজ করে গেছেন।যারা কোরআন-সুন্নাহর জ্ঞান আহরণ করেছেন এবং সে অনুযায়ী আল্লাহ ভোলা বান্দাদের মাঝে দ্বীনের পয়গাম পৌছে দিয়েছেন।
বাংলাদেশে যারা ইসলাম, দেশ ও মানবতার অতন্দ্রপ্রহরী ছিলেন আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী তাদের অন্যতম। তিনি ব্যথিত হৃদয়ে ইসলামের সুমহান আদর্শকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে আমৃত্যু চেষ্টা করে গেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের আমির এবং হাটহাজারি মঈনুল ইসলাম মাদরাসার মুহাদ্দিস।
নীতি আদর্শে ছিলেন অটল ও অবিচল। ক্ষমতা, অর্থবিত্ত আর প্রভাবপ্রতিপত্তির লোভে জলাঞ্জলি দেয়নি নিজের আদর্শ ও স্বকীয়তাকে। ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে ছিলেন অকুতোভয় মর্দে মুজাহিদ। যার হুংকারে বাতিলের কলিজায় কম্পন ধরেছিল।যাকে রিমান্ডে নির্যাতন করেও হকের পথ থেকে বিন্দু পরিমান বিচ্যুত করতে পারেনি।
শত প্রলোভন উপেক্ষা করে সততা ও সাহসের সাথে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া আর রূপসা থেকে পাথুরিয়া দ্বীনের পয়গাম নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন। আমৃত্যু হাদিসের দরস দিয়েছেন। শত ভয়-ভীতি, শঙ্কা-সংশয়, প্রলোভন, বাতিলের রক্তচক্ষু তার অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করতে পারেনি।
২০১৩ সালে নাস্তিক বিরোধী আন্দোলনের অগ্রসেনানী আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী ছিলেন কারাগারেও। বিà¦
