সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১০ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
গভীর রাতে পাকিস্তান-আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা খুতবায় মানবপাচারের ঝুকিঁ তুলে ধরার আহ্বান ইফা মহাপরিচালকের সৌদি আরবের তিন স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করল হুতিরা ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-মাদরাসা টোকিও পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী

‘করোনা চলে গেছে মনে করে উদাসীন হওয়া যাবে না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: করোনার প্রকোপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। দৈনিক মৃত্যু এখন চল্লিশের নিচে। শনাক্তের সংখ্যা দুই হাজারের কম এবং হারও ছয়ের কোটায়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সবই স্বাভাবিকভাবে চলছে। এই অবস্থায় করোনা চলে গেছে মনে করে উদাসীন হওয়া যাবে না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যবিধি না মানলে করোনা সংক্রমণ আবারও বাড়তে পারে। ডেল্টা ভেরিয়েন্টের তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

শুক্রবার এক ভার্চুয়াল সংলাপে ম্যাগসাইসাই পুরস্কারজয়ী বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হার নিম্নমুখী হলেও খুব বেশি আশান্বিত হওয়ার কিছু নেই। গত কিছু দিন ধরে করোনার প্রকোপ কমে এলেও আবার যে তা বাড়বে না, সেই নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। অনেক দেশেই সংক্রমণ এভাবে কমে আবার বেড়ে যাওয়ার নজির রয়েছে। এর মতো অতি সংক্রামক ভাইরাস যে আর আসবে না, সেটা নিশ্চিত করে বলা যায় না।’

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেনিন চৌধুরী বলেন, ‘ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ হয়েছে। তৃতীয় ঢেউয়ের প্রকোপ বেশি হয়। বাংলাদেশে অক্টোবরের শেষে বা নভেম্বরের শুরুতে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই ঢেউয়ের আগে যদি আমরা এভাবে স্বাস্থ্যবিধির প্রতি উদাসীন হই, তাহলে পরিস্থিতি খারাপ হবে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার ৮০ ভাগ নাগরিককে করোনার টিকা দেওয়ার কথা বলছে। কিন্তু এখনো তার রোডম্যাপ পরিষ্কার নয়। দ্রুত সবাইকে টিকা দিতে হবে।’

করোনার মতো মহামারি দুই থেকে ছয় বছর তার শক্তি বজায় রাখে, এরপর এর শক্তি কমে আসে বলে জানান আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর। আর এই করোনা ভাইরাস বারবার তার রূপ পরিবর্তন করছে, ফলে এটা থেকে কবে বিশ্ব মুক্তি পাবে তা নিশ্চিত করে বলার সময় আসেনি বলেও মনে করেন তিনি৷ তিনি বলেন, বারবার রূপ পরির্তনের কারণেই একটার পর একটা ওয়েভ আসছে।

ডা. এ এস এম আলমগীর বলেন, ‘তবে করোনা মহামারির মধ্যেও যেটা স্বস্তিদায়ক, তা হলো, এক বছরের মধ্যে এর টিকা আবিষ্কার হয়েছে। বাংলাদেশে আড়াই কোটি মানুষ প্রথম ডোজ পেয়েছে।’

তার মতে, সংক্রমণ কমলেও এখানো শতকরা পাঁচ ভাগের নিচে নামেনি। পাঁচ ভাগের নিচে নামলে সহনীয় বলা যায়। তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা তো আছেই। তাই স্বাস্থ্যবিধি সবাইকে মানতে হবে। ছাত্র, শিক্ষক ও কর্মচারীদের ভ্যাকসিন দিয়েই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার নিয়ম বলে জানান তিনি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ