রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার প্রবাসী বাবুই সেরা লেখক সম্মাননা পেলেন কবি মুনীরুল ইসলাম  জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

‘ওলামা সম্মেলন’ থেকে সরকারের কাছে মিরপুরের আলেমদের ৪ বিশেষ দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।।বেলায়েত হুসাইন।।

বৃহত্তর মিরপুরের আলেমদের আয়োজনে গতকাল বুধবার (৬ অক্টোবর) ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে ওলামায়ে কেরামের করণীয়’ শীর্ষক একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিরপুর ১৩-এর পিএসসি কনভেনশন হলে বুধবার সন্ধ্যায় ৪ ঘন্টাব্যাপী সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারেরর মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান খান কামাল।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মূখ্য সচিব জনাব আবুল কালাম আজাদ, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব আতিকুল ইসলাম, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী জনাব ফরিদুল হক খান এবং শিল্প প্রতিমন্ত্রী জনাব কামাল আহমেদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

এসময় বৃহত্তর মিরপুরের ওলামায়ে কেরামের পক্ষে দারুল উলুম ঢাকার প্রিন্সিপাল মুফতী রেজাউল হক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ নিজের বক্তৃতায় উপরোল্লিখিত অতিথিদের সম্মোধন করে সরকারের নিকট চারটি বিশেষ দাবি জানান। দাবিগুলো হলো-

এক, মিরপুর ১৩-১৪ এলাকায় হাউজিংয়ের পক্ষ থেকে যাদেরকে বাড়ি দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বী কেউ নেই। অথচ বেশ কাছাকাছি বৃহৎ তিনটি কওমী মাদরাসা থাকা সত্ত্বেও মিরপুর ১৩-এর ঢাকা মডেল ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন একটি মন্দির (ঢাকা মহানগর উত্তর কেন্দ্রীয় মন্দির) স্থাপিত হয়েছে, যেখানে সাধারণত বহিরাগত হিন্দুরা এসে পূজা-অর্চনা করে থাকে। এলাকায় কোন হিন্দু না থাকার পরও মন্দির নির্মাণকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিবেচনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এখানে বড় ধরণের সাম্প্রদায়িক অঘটন ঘটারও আশঙ্কা করছেন বোদ্ধামহল। তাই মিরপুরের আলেমদের দাবি, যে এলাকায় সনাতন ধর্মের অনুসারী রয়েছেন সেখানে আরো বড় জায়গা বরাদ্দ দিয়ে হলেও মন্দিরটি স্থানান্তরিত করা হোক।

দুই, স্বাধীনতার পর থেকে মিরপুরে গড়ে ওঠা বেশিরভাগ মসজিদ-মাদরাসা নির্মিত হয়েছে সরকারি বিভিন্ন জায়গায়। সরকার যেহেতু জনগণের। তাই সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা মসজিদ-মাদরাসাগুলো নিরাপদ রাখাও তাদের দায়িত্ব আর যেহেতু এগুলোর সঙ্গে জনগণের ধর্মীয় ভাবাবেগ জড়িত তাই সরকার এগুলো উচ্ছেদ করতে পারবে না- এটাই বাস্তবতা। এজন্য জায়গাগুলো মসজিদ-মাদরাসার নামেই ‘নামমাত্র’ মূল্যে বরাদ্দ দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এতে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা প্রশান্ত চিত্তে মাদরাসা-মসজিদে কোরআন-হাদিস চর্চা ও ইবাদত-বন্দেগী করতে পারবেন। প্রসঙ্গত,