রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

S P C ও রিং আইডি থেকে ইনকাম জায়েজ আছে কি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বর্তমানে তরুণরা সহজে ইনকামের জন্য S P C ও রিং আইডিসহ বেশকিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম খুঁজে নিচ্ছে? শরিয়তে এই ইনকামের বৈধতা আছে কি?

উত্তর: S P C এর পূর্ণ রূপ হল, “সুপার পাওয়ার কমিউনিটি”। এটি মূলত একটি নতুন মোড়কে এমএলএম তথা মাল্টি লেভেল মার্কেটিং কোম্পানী।

প্রথমে প্লে স্টোর থেকে তাদের এ্যাপটি ডাউনলোড করতে হয়। ডাউনলোড শেষে প্রথমে ১২০০/= (বারশত টাকা) দিয়ে সদস্যপদ গ্রহণ করতে হয়। বা আইডি খুলতে হয়।

তারপর থেকে আপনি তাদের সাইটে দেয়া চার সেকেন্ডের পাঁচটি বিজ্ঞাপন দেখলেই অর্থাৎ মাত্র ২০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করলেই আয় হবে ১০ টাকা। অর্থাৎ মেম্বার হবার সময় দেয়া সেই টাকা উঠে আসবে ৬০ দিনে। এমনি চটকদার কোম্পানী হল, এসপিসি।

এখানে অন্য কাউকে এসপিসির সদস্যপদ লাভের জন্য আবেদন করলে যদি উক্ত ব্যক্তি তা গ্রহণ করে থাকে, তাহলে এর উপরও ৪০০/= (চারশত টাকা) বেনিফিট দেয়া হয়ে থাকে।

তাছাড়াও আপনার যদি একটি রয়েল অ্যাকাউন্ট থাকে অর্থাৎ একটি একাউন্ট এর নিচে ১৩টি একাউন্ট থাকে সেক্ষেত্রে কোম্পানির লাভের ২০% কমিশন প্রতিদিন আপনার ওয়ালেট এ জমা হবে। মূলত এভাবে এখান থেকে ইনকাম করা যায়।

শরয়ী বিধান-
এসপিসিসহ এ জাতীয় যত কোম্পানী আছে সব কোম্পানীর লেনদেন ও কারবার সবই হারাম ও নাজায়েজ। তাই এসব থকে বিরত থাকা প্রতিটি মুসলমানের জন্য আবশ্যক। শরয়ী অনেকগুলো কারণেই এসব কোম্পানীর কার্যক্রম জায়েজ নয়। যেমন-

এক- এতে এমন সব লোকেরা বিজ্ঞাপনগুলো দেখে থাকেন, যাদের উক্ত পণ্যটি কেনার কোন ইচ্ছে নেই। বরং ক্রেতার কাছে উক্ত পণ্যটির চাহিদা দেখানোর জন্য ভিউ বেশি বুঝাতে ক্লিক করে ভিউ বাড়ানো হয়ে থাকে। যা মূল ক্রেতার সাথে এক প্রকার প্রতারণা। যা জায়েজ নেই।

দুই- ওসব বিজ্ঞাপনে নারীদের ছবি হয়ে থাকে। যা দেখার দ্বারা চোখের যিনা হয়ে থাকে।

তিন- এতে এমএলএম এর মত নাজায়েজ বিষয় শামিল। যা অনেকগুলো কারণেই নাজায়েজ।

যেমন-
ক) এতে কর্ম ছাড়াই পারিশ্রমিক পাওয়া যায়।
খ) কর্ম থাকার পরও পারিশ্রমিক পাওয়া যায় না।
গ) ধোঁকা ও প্রতারণা শামিল।
ঘ) এক চুক্তিতে একাধিক চুক্তি শামিল।
ঙ) বাই এবং শর্ত একসাথে পাওয়া যায়।

ইত্যাদি অনেক কারণেই এমএলএম ব্যবসা নাজায়েজ। সূত্র- আহলে হক মিডিয়া।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ