রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

চট্টগ্রাম নগরীতে চলছে বাস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সারাদেশে পরিবহন ধর্মঘট অব্যাহত থাকলেও এর অবসান হয়েছে চট্টগ্রাম মহানগরীতে। মালিক সমিতির পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আজ রোববার সকাল থেকে বন্দর নগরীতে বাস চলাচল শুরু হয়েছে। তবে অন্যান্য সময়ের তুলনায় কম বাস চলছে।

ঘোষণা অনুযায়ী, চট্টগ্রামে গণপরিবহন সংশ্লিষ্ট সাতটি সংগঠনের মধ্যে পাঁচটি সংগঠনের বাস চলাচল করছে। চট্টগ্রামের অভ্যন্তরীণ ১৩টি রুটে বাসসহ গণপরিবহন চলছে।

যেসব যানবাহন চলছে তারা প্রায় সবাই বাড়তি ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যাত্রীরা জানান, সর্বনিম্ন পাঁচ টাকার ভাড়া ১০ টাকা পর্যন্ত আদায় করছে পরিবহনগুলো। এনিয়ে সকালে বেশ কয়েক জায়গায় যাত্রীদের সঙ্গে পরিবহন শ্রমিকদের বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।

তবে সারাদেশের মতো চট্টগ্রামের বাস মালিকরাও ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। রোববার বেলা ১১টায় মন্ত্রণালয়ে ভাড়া নিয়ে যে বৈঠক হবে সে সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন তারা। ভাড়া না বাড়ালে আবারও ধর্মঘট শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন শ্রমিক ও মালিক সমিতির নেতারা।

এর আগে শনিবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন বাস মালিক সমিতির সভাপতি বেলায়েত হোসেন জানিয়েছিলেন, রোববার সকাল ছয়টা থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে বাস চলাচল করবে। তিনি বলেন, ‘আমরা মালিকরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমাদের সমিতির অধীন যে বাসগুলো আছে তা আগামীকাল (রোববার) সকাল থেকে আবারও চলাচল করবে।’

বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘আমরা গাড়ি চলাচল বন্ধ করেছিলাম জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে। আমরা দাবি দিয়েছিলাম জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোর জন্য অথবা আমাদের গাড়ির ভাড়া বাড়ানোর জন্য। শুক্রবার শান্তিপূর্ণভাবে গাড়ি বন্ধ রেখেছি। আজকেও (শনিবার) আমরা গাড়ি চলাচল বন্ধ রেখেছি। কিন্তু কিছু কিছু শ্রমিক নামধারী লোক রাস্তায় পিকিটিং করছে। শ্রমিক নাম দিয়ে তাদের সঙ্গে কিছু অবাঞ্ছিত লোক গিয়ে রাস্তায় সিএনজি অটোরিকশা, ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেবে এটা হতে পারে না। তারা বিভিন্ন মিল কারখানার গাড়িও বন্ধ করে দিচ্ছে। তারা মানুষকে বিপর্যস্ত আবস্থায় ফেলতে চাচ্ছে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা আগমীকাল সকাল থেকে গাড়ি চালাবো।’

-এএ